West Bengal Railway Projects: বাংলায় বদলেছে সরকার, প্রশাসনিক জট কাটিয়ে এবার গতি আসছে রেলের কোন কোন মেগা প্রকল্পে
Eastern Railway infrastructure projects in West Bengal: রেলের পক্ষ থেকে ১০০ শতাংশ বরাদ্দ সত্ত্বেও আগের সরকারের অনীহা, ট্রাফিক ব্লক করতে না দেওয়া, জমি সংক্রান্ত জটিলতায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প আটকে রয়েছে বলে বারবার অভিযোগ ওঠে। অতীতে একাধিকবার সরব হয়েছেন রেলমন্ত্রীও।

কলকাতা: বদলেছে মসনদ। ১৫ বছর পর ফের পালাবদল বাংলা। এবার পশ্চিমবঙ্গের রেল পরিকাঠামো উন্নয়নে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করতে চাইছে পূর্ব রেল। বিদায়ী সরকারের অসহযোগিতা, প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতার কারণে থমকে থাকা প্রকল্পগুলিকে দ্রুত বাস্তবায়িত করাই যে এখন প্রধান লক্ষ্য তা বলছেন রেলের কর্তারা।
রেলের পক্ষ থেকে ১০০ শতাংশ বরাদ্দ সত্ত্বেও আগের সরকারের অনীহা, ট্রাফিক ব্লক করতে না দেওয়া, জমি সংক্রান্ত জটিলতায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প আটকে রয়েছে বলে বারবার অভিযোগ ওঠে। অতীতে একাধিকবার সরব হয়েছেন রেলমন্ত্রীও। এবার কাজে গতি আনতে চাইছে রেল। হাওড়া স্টেশনের কাছে বেনারস ও চন্দ্রিমা রোড ওভার ব্রিজের অবস্থা জরাজীর্ণ। দ্রুত অবস্থার বদল চাইছে রেল। আগে রাজ্য প্রশসানের সঙ্গে বৈঠকে কাজের জন্য পাওয়ার ব্লকের অনুমতি না মিললেও এবার জট কাটবে বলেই আশাবাদী রেলের কর্তারা।
নৈহাটি-রানাঘাট ও রানাঘাট-কৃষ্ণনগরে থার্ড লাইনের কাজও আটকে আছে। অন্যদিকে চন্দনপুর-শক্তিগড়, মুরারই-বরহারওয়া এবং ডানকুনি-বাল্টিকুরি সেকশনে অতিরিক্ত লাইন তৈরির উপরেও জোর দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী মিলিন্দ দেওস্কর ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগী হয়ে বর্ষার আগে কাজ শেষ করার পাশাপাশি আধুনিক রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছেন।
পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী শিবরাম মাঝি বলছেন, “আমাদের কাছে যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তা সবার আগে। আগের প্রশাসনিক বাধা সরে যাওয়ায় আমরা এখন আগের প্রকল্পগুলিকে দ্রুত শেষ করতে প্রস্তুত। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যাতে বিশ্বমানের ও নিরাপদ রেল পরিষেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে আমরা দিন-রাত কাজ করছি।”
