Calcutta High Court: বেলডাঙায় অশান্তি নিয়ে এবার হাইকোর্টে NIA, কী হল?
NIA on Beldanga case: জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে ঝাড়খণ্ডে বেলডাঙার এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ওই পরিযায়ী শ্রমিকের মৃতদেহ জেলায় ফিরতেই উত্তেজনা ছড়ায় বেলডাঙায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তায় অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ জনতা। অবরোধ করা হয় রেলও। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর সংলগ্ন এলাকায় রেললাইন অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে রাখে বিক্ষোভকারীরা।

কলকাতা: বেলডাঙা হিংসার তদন্তে নেমেছে তারা। কিন্তু, রাজ্য পুলিশ এখনও কেস ডায়েরি দেয়নি। এই অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল এনআইএ(NIA)। হাইকোর্টে NIA -র অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও কেস ডায়েরি হস্তান্তর করছে না রাজ্য পুলিশ। আগামী মঙ্গলবার এআইএ-র আবেদনের শুনানি হবে।
এর আগে বেলডাঙা হিংসা মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, কেন্দ্রীয় সরকার মনে করলে এনআইএ তদন্ত হতে পারে। তারপরই কেন্দ্র বেলডাঙা হিংসায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু, শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, বেলডাঙা হিংসার তদন্ত করবে এনআইএ।
বেলডাঙার ঘটনার জল গড়ায় NIA বিশেষ আদালতেও। এনআইএ-র হাতে কেস ডায়েরি তুলে দিতে রাজ্য পুলিশকে আদালত নির্দেশ দেয়। এরপর এনআইএ-র তরফে মেইল করে মুর্শিদাবাদ পুলিশের কাছ থেকে কেস ডায়েরি চাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, সেই মেইলের জবাব দেয়নি রাজ্য পুলিশ। এরপরই হাইকোর্টের দৃষ্টি করেছে এনআইএ। আদালতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য, কেস ডায়েরি হস্তান্তরের উপর কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। তারপরও কেস ডায়েরি দেওয়া হচ্ছে না। আদালতে NIA-র আর্জি, অবিলম্বে সিডি দেওয়া হোক NIA কে। আগামী মঙ্গলবার এনআইএ-র আবেদনের শুনানি হবে হাইকোর্টে।
প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় হিংসার সূত্রপাত ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে ঝাড়খণ্ডে বেলডাঙার ওই পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ওই পরিযায়ী শ্রমিকের মৃতদেহ জেলায় ফিরতেই উত্তেজনা ছড়ায় বেলডাঙায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তায় অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ জনতা। অবরোধ করা হয় রেলও। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর সংলগ্ন এলাকায় রেললাইন অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে রাখে বিক্ষোভকারীরা। বাঁশে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। ট্রেনে পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে বচসা বাধে। সাংবাদিকরাও আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ উঠে। ওই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও বাড়ে।
