West Bengal Police: নজরে একুশের ভোট পরবর্তী হিংসা মামলা, সীমান্তে দালাল চক্র রোধেও আরও কড়া হচ্ছে পুলিশ
West Bengal Police New Directives: সরকার গঠনের পরই সীমান্তে বিএসএফ-কে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হল। নিয়মিত সীমান্ত সমন্বয় বৈঠক করতে বলা হল। সীমান্তে সক্রিয় দুষ্কৃতী ও দালাল চক্রের বিরুদ্ধে তথ্য আদানপ্রদানে জোর দিতে হবে।থানাস্তরে প্রতি মাসে ও SDPO-স্তরে তিন মাস অন্তর বৈঠকের নির্দেশ দেওয়া হল।

কলকাতা: সরকার বদল হতেই তৎপর রাজ্য পুলিশ। মঙ্গলবার নবান্ন থেকে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা জারি করা হল। সেখানে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, থানার মালখানায় থাকা বাজেয়াপ্ত অস্ত্র ও গুলির নথি যাচাই আগামী ১৫ মে’র মধ্যে শেষ করতে হবে। ওসি কিংবা আইসি-দের নিজে মালখানার অস্ত্র ও গুলি মিলিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর আগামী ১৬ মে থেকে SDPO ও DSP-রা থানার মালখানা পরিদর্শন করবেন। রাজ্যজুড়ে বেআইনি অস্ত্র, গুলি ও বিস্ফোরক উদ্ধারেও বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী দু’সপ্তাহ ধরে চলবে অভিযান। প্রতিদিনের রিপোর্ট সিআইডি-র ADG-কে পাঠাতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১৫ বছর পর রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। বাংলায় প্রথমবার সরকার গঠন করেছে বিজেপি। আর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, রাজ্যের প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। তারপর তৎপর হতে দেখা গেল রাজ্য পুলিশকে।
নজরে একুশের ভোট পরবর্তী হিংসা মামলা-
২০২১ সালের নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতেও নতুন করে নজর দেওয়া হচ্ছে। ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার মামলাগুলি পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট দেওয়া মামলাগুলিও ফের খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। তদন্তে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে মামলা পুনরায় খুলে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও FIR না হওয়া ঘটনাগুলিও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। গ্রেফতারযোগ্য অপরাধের প্রমাণ মিললে নতুন মামলা রুজুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারদের ব্যক্তিগতভাবে পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করতে বলা হয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় বাড়ছে নজরদারি-
সরকার গঠনের পরই সীমান্তে বিএসএফ-কে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হল। নিয়মিত সীমান্ত সমন্বয় বৈঠক করতে বলা হল। সীমান্তে সক্রিয় দুষ্কৃতী ও দালাল চক্রের বিরুদ্ধে তথ্য আদানপ্রদানে জোর দিতে হবে।থানাস্তরে প্রতি মাসে ও SDPO-স্তরে তিন মাস অন্তর বৈঠকের নির্দেশ দেওয়া হল।
বেআইনি গরুর হাট ও অবৈধ খননের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৈধ ব্যবসায় দাদাগিরি, তোলাবাজি বরদাস্ত না করার বার্তা দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।
