
কর্তব্যরত অবস্থায় ধর্ষণের জন্য ৭ লক্ষ, ডিউটিতে থাকাকালীন মৃত্যুর জন্য দিতে হবে আরও ১০ লক্ষ। মোট ১৭ লক্ষ টাকা দিতে হবে হবে তিলোত্তমার পরিবারকে। দেবে রাজ্য। সঞ্জয় রায়ের আমৃত্যু কারাবাসের সাজা ঘোষণার দিন এই নির্দেশই দিয়েছিলেন শিয়ালদহ আদালতের বিচারক অনির্বান দাস। যদিও তাঁরা যে ক্ষতিপূরণ চান না, সে কথা সেদিনও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার মা-বাবা। কিন্তু, তরজা থামল কোথায়! রায় ঘোষণার পরই তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীরা কার্যত অল আউট অ্যাটাকে নেমে পড়লেন। কেউ তিলোত্তমার মা-বাবাকে ‘চক্রান্তকারীদের মুখপাত্র’ বলে দেগে দিলেন, কেউ আবার দেখালেন ‘এক্তিয়ার’, কেউ আবার তাঁদের পিছনে খুঁজলেন সিপিএমকে। ‘ওরা তো আগেই টাকা দিতে চেয়েছিল’ ...