Mamata vs Suvendu: শুভেন্দুকে মমতার বিরুদ্ধে দাঁড় করানোটা ‘মাস্টারস্ট্রোক’, আসল স্ট্র্যাটেজি এবার বলে দিলেন সুকান্ত
Mamata Banerjee: ফলে, তাঁকে পরাজিত করতে পারে এমন একটি হেভিওয়েট মুখ প্রয়োজন বিজেপির। সেক্ষেত্র শুভেন্দু অধিকারীই প্রথম নাম বঙ্গ বিজেপির। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী নিজে শুভেন্দুর গড় নন্দীগ্রামে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে। তবে পরাজিত হয়েছেন।

কলকাতা: সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মুখ। তিনি নিজে একসময় বলেছিলেন, ‘২৯৪ আসনে আমিই প্রার্থী’। অর্থাৎ, তাঁকে দেখেই মানুষ ভোট দেন। সেই মমতাকেই নিজের কেন্দ্রে আটকে রাখতেই কি নন্দীগ্রাম সহ ভবানীপুরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দাঁড় করিয়েছে বিজেপি? এক প্রকার এই জল্পনাতেই সিলমোহর দিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। কোন স্ট্রাটেজির জন্য ভবানীপুরে শুভেন্দু লড়ছেন? টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বললেন তিনি।
মমতার বিরুদ্ধে শুভেন্দু এটা মাস্টারস্ট্রোক নাকি ডিফেন্সসিভ স্ট্রোক? সুকান্ত স্পষ্ট বলেন, “এটা মাস্টার স্ট্রোক। কারণ, এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে দশবার ভাবতে হবে নিজের এলাকা ছাড়ার জন্য। ভাবনীপুর ছাড়ার অগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়াকে ভাবতে হবে তিনি ছাড়বেন কি ছাড়বে না।” মমতা ব্যানার্জী পোড় খাওয়া বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।তিনি অভিজ্ঞ। রাজনীতির অঙ্কের হিসাব সব তাঁর গুলে খাওয়া। ফলে, তাঁকে পরাজিত করতে পারে এমন একটি হেভিওয়েট মুখ প্রয়োজন বিজেপির। সেক্ষেত্র শুভেন্দু অধিকারীই প্রথম নাম বঙ্গ বিজেপির। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী নিজে শুভেন্দুর গড় নন্দীগ্রামে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে। তবে পরাজিত হয়েছেন। এবার শুভেন্দু লড়াই করছেন ভবানীপুরে। ফলে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে জনসংযোগে তুলনামূলক আরও বেশি জোর দিতে হবে বলার অপেক্ষা রাখে না।
বিজেপিও কার্যত সেই চালটিই দিয়েছে, অন্তত তেমনটাই স্বীকার করলেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “মমতা ছাড়া ওই দলে আর কোনও নেতৃত্ব নেই। মমতাই পোস্ট বাকি সব ল্যাম্পপোস্ট। অভিষেক রয়েছেন, কিন্তু তাঁর টা আইপ্যাক দ্বারা তৈরি করা ফিগার। একটা আলপিন ঢুকলে পুরোটা।” অর্থাৎ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি বাকি প্রার্থীদের হয়ে জনসংযোগ না করেন তাহলে তাঁদের জেতার আশা যে কম সে কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বিজেপির।
কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আরও দাবি করে বলেছেন, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী পরাজিত হবেন। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারবেনই। যেখানে নন্দীগ্রামে মুসলমান ছিলেন সেখানেই হেরেছেন। আমরা ভেবেছিলাম নন্দীগ্রামে অভিষেক দাঁড়াবেন। উনি সাহস পেলেন না।” বস্তুত, এই ভবানীপুরে প্রায় ৪৮ হাজারের নাম বাদ গিয়েছে। বিবেচনাধীন অনেকে। এই নিয়ে বারেবারে সরব হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তবে এও বলেছেন, এই ভবানীপুরে একটি ভোটে হলেও তিনি জিতবেন। এখন দেখার কালীঘাটের গঙ্গার জল ঠিক কোন দিকে গড়ায়।
