SIR: ‘আজ আমার মৃত স্বামীর কাজ, তাও শুনানিতে ডেকে হেনস্থা করছে’, ক্ষোভ উগরালেন জায়িদা
Kolkata: কলকাতার আলিপুর রোডের ঘটনা। সেখানে ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের দুটি পার্ট, একটি পার্ট নম্বর ৮৩ ও পার্ট নম্বর ৮৪ সেখানে বিএলএ ২ লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সিতে যাঁদের নাম রয়েছে তাঁদের তালিকা টাঙাচ্ছেন। আর যাঁদের নাম রয়েছে এই তালিকায় তাঁদেরও জানাচ্ছে তৃণমূলের বিএলএ।

কলকাতা: স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার ছিল তাঁর কাজ। অভিযোগ, আর সেই দিনই নির্বাচন কমিশন শুনানির জন্য ডেকে পাঠালেন স্ত্রীকে। এই নিয়ে চরম ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। প্রশ্ন উঠছে, কমিশন বারবার জানিয়েছিল যে প্রথম দিন যদি কেউ শুনানিতে আসতে না পারেন, তাহলে তার জন্য পরের আরও একটি দিন ধার্য হবে। এক্ষেত্রে কেন হল না? নাকি ওই মহিলা নিজেই জানেন না উঠছে প্রশ্ন।
কলকাতার আলিপুর রোডের ঘটনা। সেখানে ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের দুটি পার্ট, একটি পার্ট নম্বর ৮৩ ও পার্ট নম্বর ৮৪ সেখানে বিএলএ ২ লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সিতে যাঁদের নাম রয়েছে তাঁদের তালিকা টাঙাচ্ছেন। আর যাঁদের নাম রয়েছে এই তালিকায় তাঁদেরও জানাচ্ছে তৃণমূলের বিএলএ। সেখানেই দেখা গেল সদ্য স্বামীহারা জায়দা খাতুন এসেছেন শুনানি কেন্দ্রে। তিনি কাঁদছেন হাউহাউ করে। তাঁর দাবি, আজই ছিল স্বামীর কাজ। সেই সব ছেড়েই তাঁকে আসতে হয়েছে শুনানি কেন্দ্রে।
জায়িদার মেয়ে জানান, ২০০২-এর লিস্টে মায়ের নাম আছে। অথচ ওয়েবসাইটে যেটা ওরা আপলোড করেছে সেখানে এপিক নম্বর আছে অথচ নাম নেই। এটা তো নির্যাতন। তিনি বলেন, “বাবার কাজ রয়েছে। মা তো বাড়ি থেকে বেরতেও পারবে না। সেক্ষেত্রে ওঁকে কীভাবে নিয়ে যাব?” আর জায়েদা বলেন, “আজ আমার স্বামীর কাজ। কিন্তু যা করল এরা…ভাল করেনি। মানুষকে হ্যারাস করা হয়েছে। এটা উচিত হয়নি। আমি হাতজোড় করে বলতে চাই এইসব যেন না করে। আমার মতো পরিস্থিতিতে যেন কেউ না পড়ে। ওরা সত্যিকারের মানুষ হয়ে থাকে…আজ আমার স্বামীর মরার কাজ আর আমায় ডেকে এনে হ্যারাস করছে।”
