নন স্টিকে রান্না করছেন? আজই জানুন কত বড় সর্বনাশ হচ্ছে!
নন-স্টিক বাসন সাধারণত PTFE (Polytetrafluoroethylene) নামের এক ধরনের কেমিক্যাল দিয়ে কোটিং করা থাকে, যেটাকে আমরা টেফলন নামেই বেশি চিনি। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এটি মোটামুটি নিরাপদ হলেও সমস্যা শুরু হয় যখন প্যান অতিরিক্ত গরম হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ২৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় নন-স্টিক কোটিং ভাঙতে শুরু করে এবং তখন বিষাক্ত গ্যাস বের হতে পারে। যা শ্বাসের সঙ্গে শরীরে ঢুকলে মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড়, এমনকী, ফ্লু-এর মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। একে ডাক্তারি ভাষায় বলা হয় “Teflon Flu”। গবেষণায় এ-ও জানা যাচ্ছে যে নন-স্টিক তৈরির সঙ্গে যুক্ত PFOA (Perfluorooctanoic acid) নামের কেমিক্যাল থাকে যা দীর্ঘদিন শরীরে জমে থাকলে লিভার, থাইরয়েড ও হরমোনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

অনেকেরই রান্নাঘরের পছন্দের বাসন ঝকঝকে কালো নন-স্টিক প্যান। কম তেল লাগে, খাবার আটকে যায় না,পরিষ্কার করাও সহজ। তাই শহুরে জীবনে নন-স্টিক প্যান ছাড়া অনেকেই অচল। কিন্তু চিকিৎসক ও গবেষকদের একাংশ বলছেন, এই সুবিধার আড়ালেই লুকিয়ে রয়েছে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। বিষয়টা ঠিক কী?
নন-স্টিকের আসল সমস্যা কোথায়? নন-স্টিক বাসন সাধারণত PTFE (Polytetrafluoroethylene) নামের এক ধরনের কেমিক্যাল দিয়ে কোটিং করা থাকে, যেটাকে আমরা টেফলন নামেই বেশি চিনি। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এটি মোটামুটি নিরাপদ হলেও সমস্যা শুরু হয় যখন প্যান অতিরিক্ত গরম হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ২৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় নন-স্টিক কোটিং ভাঙতে শুরু করে এবং তখন বিষাক্ত গ্যাস বের হতে পারে। যা শ্বাসের সঙ্গে শরীরে ঢুকলে মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড়, এমনকী, ফ্লু-এর মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। একে ডাক্তারি ভাষায় বলা হয় “Teflon Flu”। গবেষণায় এ-ও জানা যাচ্ছে যে নন-স্টিক তৈরির সঙ্গে যুক্ত PFOA (Perfluorooctanoic acid) নামের কেমিক্যাল থাকে যা দীর্ঘদিন শরীরে জমে থাকলে লিভার, থাইরয়েড ও হরমোনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্বের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই ধরনের কেমিক্যালের সঙ্গে বহুদিনের সংস্পর্শ থাকলে কিছু ক্ষেত্রে ক্যানসারের সম্ভাবনাও বাড়তে পারে। যদি আঁচড় পড়ে বিপদ হবে আরও বেশি। রান্নার সময় সেই ক্ষতিগ্রস্ত কোটিং খাবারের সঙ্গে মিশে গেলেই ঘটবে বিপদ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধাতব খুন্তি ব্যবহারে এই ঝুঁকি আরও বাড়ে। কাঠ বা সিলিকনের খুন্তি ব্যবহারে ঝুঁকি কম।
চিকিৎসকদের মতে, শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের শরীরে এই ধরনের কেমিক্যালের বেশি ক্ষতি করে। তাই তাদের জন্য নন-স্টিকে রান্না করা খাবার দীর্ঘদিন খাওয়া নিরাপদ নয়।
তাহলে কি নন-স্টিককে বাদ দেবেন রান্নাঘর থেকে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরোপুরি বাদ দেওয়াই সবচেয়ে ভাল। তবে যদি ব্যবহার করতেই হয়, তাহলে মানতে হবে সতর্কতা – বেশি আঁচে খালি প্যান কখনও গরম করবেন না, আঁচড় পড়া প্যান সঙ্গে সঙ্গে বদলে ফেলুন, ধাতব খুন্তি ব্যবহার এড়িয়ে চলুন, খুব বেশি তাপে রান্না করবেন না।
আজকাল আবার লোহার কড়াই, স্টিল, কাস্ট আয়রন বা মাটির হাঁড়ির দিকে মানুষ ফিরছেন। একটু তেল বেশি লাগলেও, এগুলো শরীরের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
