Balurghat: ওরা জামিন পায়নি! শুনেই নিজেই কালো গাউন পরে সেদিন বালুরঘাট কোর্টে সওয়াল করেছিলেন মমতা
Mamata Banerjee: দলীয় নেতৃত্বকে জিজ্ঞাসা করেন কুমারগঞ্জের ঘটনায় ধৃতরা কি জামিন পেয়েছেন? জামিন না পাওয়ার খবর পেয়েই পরের দিন ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি বালুরঘাট জেলা আদালতে যান। সেই সময় মমতার সঙ্গী ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন পূর্তমন্ত্রী শঙ্কর চক্রবর্তী, বালুরঘাট জেলা আদালতের প্রাক্তন সরকারি আইনজীবী সুভাষ চাকী, মন্মথ ঘোষের মতো বর্ষীয়ান আইনজীবীরা।

বালুরঘাট: ঠিক ৩২ বছর আগের এমনই এক ফ্রেব্রুয়ারি মাস। জীবনে প্রথমবার কালো গাউন পরে আদালতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন তিনি সাংসদ। রাজ্য রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিকতা বাড়ছে তাঁর। সেই সময় একদল ছাত্রের জামিনের আর্জি নিয়ে আদালতে লড়েছিলেন তিনি। আজ, ৪ ফেব্রুয়ারি যখন আবেদনকারী হিসেবে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করলেন, তখন সেই দিনের স্মৃতিচারণ করছেন বালুরঘাটের বর্ষীয়ান আইনজীবীরা। বালুরঘাট জেলা আদালতেই প্রথমবার লড়েছিলেন তিনি।
দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই পুলিশ নির্বিকারে গুলি চালিয়েছিল। সেই গুলিতে আন্দোলনকারী ছাত্র পার্থ সিংহের মৃত্যু হয়। আরও তিনজন আহত হয়েছিলেন। সেই সময় অভিযোগ ওঠে, পুলিশ ছাত্র, অভিভাবক ও শিক্ষকদের বিনা কারণে গ্রেফতার করে আদালতে তুলেছিল। সেই খবর পেয়ে ওই বছর ৫ ফেব্রুয়ারি কুমারগঞ্জে পার্থ সিংহের বাড়ি গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলার সকল নেতৃত্বকে নিয়ে গিয়েছিলেন।
এরপর ওই মাসের ৯ তারিখ হিলিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় দলীয় নেতৃত্বকে জিজ্ঞাসা করেন কুমারগঞ্জের ঘটনায় ধৃতরা কি জামিন পেয়েছেন? জামিন না পাওয়ার খবর পেয়েই পরের দিন ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি বালুরঘাট জেলা আদালতে যান। সেই সময় মমতার সঙ্গী ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন পূর্তমন্ত্রী শঙ্কর চক্রবর্তী, বালুরঘাট জেলা আদালতের প্রাক্তন সরকারি আইনজীবী সুভাষ চাকী, মন্মথ ঘোষের মতো বর্ষীয়ান আইনজীবীরা। সেটা ছিল ১০ ফেব্রুয়ারি। আজও সেদিনের কথা স্পষ্ট মনে করতে পারেন সুভাষ চাকী, মন্মথ ঘোষরা। হুগলির চুঁচুড়া জেলা আদালতেও একটি মামলায় সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
