বৈশাখ মাসে ভুলেও করবেন না এই ৫টি কাজ, সারা বছর হতে পারে অর্থকষ্ট!
নতুন বছরের প্রথম মাস মানেই আলস্য ত্যাগের সময়। বৈশাখে যারা সূর্যোদয়ের পরেও দীর্ঘক্ষণ ঘুমিয়ে থাকেন, তাঁদের ওপর দেবী লক্ষ্মী রুষ্ট হন বলে মনে করা হয়। ভোরের স্নিগ্ধতায় দিন শুরু করলে শরীর যেমন ভালো থাকে, তেমনই বজায় থাকে পজিটিভ এনার্জি।

দরজায় কড়া নাড়ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব— পয়লা বৈশাখ। বঙ্গাব্দের প্রথম মাস মানেই নতুন আশা, নতুন সংকল্প। এই মাসটি কেবল ক্যালেন্ডার বদল নয়, শাস্ত্রীয় মতেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। বিশ্বাস করা হয়, বছরের শুরুটা ঠিকঠাক না হলে তার প্রভাব পড়ে পরবর্তী ১১টি মাসের ওপর। আপনি কি জানেন, বৈশাখ মাসে অজান্তেই করা কিছু ভুল আপনার সারা বছরের সঞ্চয় আর মানসিক শান্তিতে বিঘ্ন ঘটাতে পারে? নিজের এবং পরিবারের শ্রীবৃদ্ধি চাইলে কোন বিষয়গুলোতে নজর দেবেন, দেখে নিন একঝলকে।
বেলার দিকে ঘুম থেকে ওঠা নয় নতুন বছরের প্রথম মাস মানেই আলস্য ত্যাগের সময়। বৈশাখে যারা সূর্যোদয়ের পরেও দীর্ঘক্ষণ ঘুমিয়ে থাকেন, তাঁদের ওপর দেবী লক্ষ্মী রুষ্ট হন বলে মনে করা হয়। ভোরের স্নিগ্ধতায় দিন শুরু করলে শরীর যেমন ভালো থাকে, তেমনই বজায় থাকে পজিটিভ এনার্জি।
আহারে আসুক সংযম বছরের শুরুতেই শরীর ও মনকে শুদ্ধ রাখা প্রয়োজন। বৈশাখ মাসে যতটা সম্ভব সা্ত্ত্বিক খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয় শাস্ত্র। অতিরিক্ত আমিষ খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। মনে রাখবেন, এই মাসে সংযমই হলো সাফল্যের চাবিকাঠি।
দিবানিদ্রা এড়িয়ে চলুন অত্যধিক ক্লান্তি বা অসুস্থতা না থাকলে বৈশাখের দুপুরে ঘুমোনো শাস্ত্রমতে ঠিক নয়। মনে করা হয়, এতে শরীরে অলসতা ও নেতিবাচক প্রভাব বাড়ে। বছরের প্রথম থেকেই নিজেকে কর্মতৎপর রাখলে ভাগ্য আপনার সহায় হবে।
জল অপচয় মানেই অমঙ্গল বৈশাখ মানেই কাঠফাটা রোদ আর তীব্র দহন। এই সময় তৃষ্ণার্তকে জল পান করানোই হলো সবথেকে বড় ধর্ম। অকারণে জল নষ্ট করা কিংবা পশুপাখিকে জল না দেওয়া এই মাসে বড় ‘দোষ’ হিসেবে গণ্য হয়। সম্ভব হলে বাড়ির সামনে বা ছাদে সরা ভর্তি জল রাখুন, এতেই ফিরবে ভাগ্য।
অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্য লাভ এই বৈশাখ মাসেই পড়ে অক্ষয় তৃতীয়ার মতো মাহেন্দ্রক্ষণ। নতুন কোনও কাজ শুরু করা কিংবা সোনা-রুপো কেনার জন্য এই দিনটি সেরা। এছাড়াও এই গরমে সামর্থ্য অনুযায়ী ছাতা বা পাখা দান করলে মানসিক শান্তি পাওয়া যায় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।
