পাকিস্তান বধের পর দলের প্রশংসা অক্ষরের!
বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের রেকর্ড ৮–১। টানা তৃতীয় জয়ের ফলে সুপার এইটে উঠে গেলেন ইশানরা। ম্যাচটির ভিত গড়ে দেন ইশান নিজেই। ৪০ বলে ৭৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন তিনি। অক্ষর তাঁর প্রশংসা করে বলেন, “এটা সহজ উইকেট ছিল না। বল ঘুরছিল ও কিছু বল আলোয় সোজা আসছিল। এমন পরিস্থিতিতে ইশানের ইনিংস সত্যিই অসাধারণ।” ইশানের স্কিলের কথায় তিনি বলেন, “ও গোটা মাঠ জুড়ে রান করে। এক জায়গায় মারেনি, চারদিকে শট খেলেছে।” অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে ও রিঙ্কু সিং - প্রত্যেকের বদান্যতায় ভারত করে ১৭৫ রান।

কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের এই ৬১ রানের জয়ই প্রমান করে যে, ভারত একটি পরিকল্পিত ক্রিকেট দল। ভারত-পাকিস্তান দন্দ্ব নিয়ে যতই উত্তেজনা থাকুক না কেন, ভারতীয় শিবির যে তার ধার ধারেনি তা স্পষ্ট করে দিলেন দলের সহঅধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল। ম্যাচের পর অক্ষর বলেন, “আমরা ওদেরকে রাইভ্যাল হিসেবে দেখি না। আমাদের কাছে ওরা অন্য প্রতিপক্ষের মতোই একটা দল। আমরা শুধু মন দিয়ে ক্রিকেট খেলি। প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবি না।” তাঁর কথায়, “প্রতিটি ম্যাচই আমাদের কাছে আলাদা চ্যালেঞ্জ, আর সেটাকেই গুরুত্ব দেয় দল।” এই দৃষ্টিভঙ্গিই ভারতের সাফল্যের চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের রেকর্ড ৮–১। টানা তৃতীয় জয়ের ফলে সুপার এইটে উঠে গেলেন ইশানরা। ম্যাচটির ভিত গড়ে দেন ইশান নিজেই। ৪০ বলে ৭৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন তিনি। অক্ষর তাঁর প্রশংসা করে বলেন, “এটা সহজ উইকেট ছিল না। বল ঘুরছিল ও কিছু বল আলোয় সোজা আসছিল। এমন পরিস্থিতিতে ইশানের ইনিংস সত্যিই অসাধারণ।” ইশানের স্কিলের কথায় তিনি বলেন, “ও গোটা মাঠ জুড়ে রান করে। এক জায়গায় মারেনি, চারদিকে শট খেলেছে।” অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে ও রিঙ্কু সিং – প্রত্যেকের বদান্যতায় ভারত করে ১৭৫ রান।
ভারতীয় বোলিংয়েও ছিল পরিকল্পনার ছাপ। তিনজন স্পিনারকে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে অক্ষর বলেন, “পিচ দেখে দল নির্বাচন করা হয়। যখন উইকেট ম্য়াচে সাহায্য করে, তখন সেই অনুযায়ী কম্বিনেশন বানাতে হয়।” ফলস্বরুপ পাকিস্তান ১১৪ রানেই গুটিয়ে যায়। অক্ষর প্য়াটেল, হার্দিক পান্ডিয়া, জসপ্রীত বুমরাহ ও বরুণ চক্রবর্তীর সামনে ধসে পড়ে প্রতিপক্ষ। উসমান খানের ৪৪ রান ছাড়া, আর কেউ তেমন প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। সবশেষে অক্ষর বললেন “আমরা বাইরের কথা শুনি না। ক্যাপ্টেন যা বলেন, তাই করি। আমরা নিজেদের পরিকল্পনায় মন দিই। আজ পাকিস্তান কাল অন্য কেউ, আমাদের কাছে সবাই সমান।” আর এই বাস্তববাদী মানসিকতাই, ভারতকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল বিশ্বকাপের মঞ্চে।
