Bengal vs Delhi: ব্যাটে অভিষেক-সুদীপ, বলে প্রদীপ্ত, জোড়া ফলায় রঞ্জিতে দিল্লি বধ বাংলার
Ranji Trophy: টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৪০ রানেই অল আউট হয়ে যায় দিল্লি। জবাবে ব্যাট করতে নেমে রানের পাহাড় তুলে দেয় বাংলা। ৪২৯ রান তোলে বাংলা। ১৩৩ রান করেন সুদীপ ঘরামী। ১৪৯ রান করে আউট হন অভিষেক পোড়েল।

কল্যাণী: প্রত্যাশা মতোই রঞ্জির প্রথম ম্যাচ জিতে শুরু করল বাংলা। দিল্লির বিরুদ্ধে সহজ জয় পেলেন অভিষেক পোড়েলরা। আয়ুষ বাদোনির ছেলেদের হারিয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করল বঙ্গ ব্রিগেড। সুদীপ ঘরামী ও অভিষেক পোড়েলের দুরন্ত সেঞ্চুরিতে ম্যাচ জিতল বাংলা।
টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৪০ রানেই অল আউট হয়ে যায় দিল্লি। ৪ উইকেট পেয়েছিলেন মহম্মদ শামি। জবাবে ব্যাট করতে নেমে রানের পাহাড় তুলে দেয় বাংলা। ৪২৯ রান করেন বাংলার ব্যাটাররা। ১৩৩ রান করেন সুদীপ ঘরামী। ১৪৯ রান করে আউট হন বর্তমানে বাংলা দলের সবথেকে বিতর্কিত ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল। ৫০ রান করেন সুমন্ত গুপ্তও। ৪৩ রান দিয়ে ৫ উইকেট পেয়েছেন আয়ুষ বাদোনি।
জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটে নেমে শুরু থেকে ধুঁকছিল দিল্লি। ৫৯ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট পড়ে যায় তাদের। এরপর থেকেই দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন অধিনায়ক আয়ুষ। তাঁর ব্যাট থেকে আসে গুরুত্বপূর্ণ ৮৫ রান। ৩৯ রান করেন অনুজ রাওয়াতও। শেষ অবধি ২৭৭ রান স্কোরবোর্ডে তুলতে সক্ষম হয় দিল্লি। ৩ উইকেট পান প্রদীপ্ত প্রামাণিক। ২টি করে উইকেট পেয়েছেন সুমন্ত গুপ্ত ও আমির গনি। বাংলার সামনে লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় মাত্র ৮৯ রান।
তবে একটি বিষয়, ১০ উইকেটে ম্যাচ জিতলে বোনাসের ৭ পয়েন্ট পেতে পারত বাংলা। কিন্তু শুধু ম্যাচ জিতলে ৬ পয়েন্ট নিয়েই খুশি থাকতে হত ঈশ্বরণদের। সেটাই হল। ৩৮ রানে আউট হয়ে ফেরেন অঙ্কুর পাল। অধিনায়ক অভিমন্যু অপরাজিত থাকেন ৩৪ রানে। সুদীপ ঘরামীও অপরাজিত থাকেন ১৬ রানে। ফলে ১৬ ওভারের মধ্যেই ৮৯ রান তুলে লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলে বাংলা। এর ফলে দিল্লিকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ৬ পয়েন্ট পেল বাংলা ফলে প্রথম ম্যাচ জিতে রঞ্জি অভিযান শুরু লক্ষ্মীর ছেলেদের।
