Longest Run Up: একটা বল করতে ১০০ কিমি দৌড়, রেকর্ড গড়লেন লন্ডনের স্যাম!
Sam Boduano: ইংল্যান্ডের গিল্ডফোর্ডের বাসিন্দা বোডোয়ানো শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১২টা নাগাদ লন্ডনের লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড থেকে দৌড় শুরু করেছিলেন। প্রায় ১৪ ঘন্টা পর, রবিবার দুপুর দুটো নাগাদ তিনি পৌঁছলেন ওকিংয়ের ভ্যালি এন্ড ক্রিকেট ক্লাবে। সেখানেই তিনি বল করলেন। গিনেসের নিয়ম অনুযায়ী, রেকর্ডটি গর্তে পুরো ১০০ কিমি দৌড়োনোর সময় স্যামকে হাতে ক্রিকেট বল ও পরনে সম্পূর্ণ ক্রিকেটের পোশাক পরে থাকতে হবে। এরপর বিশ্রাম না নিয়েই তাঁকে একটি আসল ক্রিকেট ম্যাচে বোলিং করতে হবে।

ইংল্যান্ড: ক্রিকেট ইতিহাসে শোয়েব আখতার হোক বা ডেনিস লিলি – অনেকেই লম্বা রান আপ নিয়ে বল করতেন। কিন্তু তাঁদের থেকে একপ্রকার অনুপ্রাণিত হয়ে অন্য ঘটনা ঘটিয়েছেন একজন ক্লাব ক্রিকেটার। স্যাম বোদুয়ানো নামে ওই ক্লাব ক্রিকেটার, যিনি আসলে সোশ্যাল মিডিয়াতে ‘আয়রনবডজ’ নামে পরিচিত, তিনি একটি বল করার জন্য ৬২ মাইল অর্থাৎ প্রায় ১০০ কিমি দৌড়ে একটি ইতিহাস সৃষ্টি করলেন।
গিনেস বুকে নাম তুললেন স্যাম –
ইংল্যান্ডের গিল্ডফোর্ডের বাসিন্দা বোডোয়ানো শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১২টা নাগাদ লন্ডনের লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড থেকে দৌড় শুরু করেছিলেন। প্রায় ১৪ ঘন্টা পর, রবিবার দুপুর দুটো নাগাদ তিনি পৌঁছলেন ওকিংয়ের ভ্যালি এন্ড ক্রিকেট ক্লাবে। সেখানেই তিনি বল করলেন। গিনেসের নিয়ম অনুযায়ী, রেকর্ডটি গর্তে পুরো ১০০ কিমি দৌড়োনোর সময় স্যামকে হাতে ক্রিকেট বল ও পরনে সম্পূর্ণ ক্রিকেটের পোশাক পরে থাকতে হবে। এরপর বিশ্রাম না নিয়েই তাঁকে একটি আসল ক্রিকেট ম্যাচে বোলিং করতে হবে। নিজের টিমের লোকজনকে নিয়ে পুরো ১০০ কিমির রাস্তাটি ভ্লগ করেন বোডোয়ানো। দৌড়ের ১০ কিমি পর লন্ডন ব্রিজে দাঁড়িয়ে তিনি ভিডিও রেকর্ড করে অনলাইনে পোস্ট করেন। কয়েক ঘন্টা পর, ভোর ৫টা ১১ মিনিটে, দৌড়োতে দৌড়োতেই ভিডিও করেন তিনি। দৌড় শুরু করার আগে তিনি বিবিসিকে বলেছিলেন, বর্তমানে এই রেকর্ড যাঁর কাছে আছে, তিনি ২৪ কিমি দৌড়েছিলেন – এমন একটি ভিডিও দেখেই তাঁর এই চ্যালেঞ্জে অংশ নেওয়ার ইচ্ছে হয়।
এখানে তাঁর চাপে থাকার কারণ ছিল, প্রথম বলটি ফেস করবেন তাঁর বাবা। স্যাম মজা করে বলেছিলেন, হয়তো তিনি তাঁর বাবাকে আউটও করে দিতে পারেন। আসলে এটি ছিল একটি চ্যালেঞ্জ এবং এই অভিনব চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে স্যাম ‘রুথ স্ট্রস ফাউন্ডেশন’-এর জন্য ৩২০০ পাউন্ডেরও বেশি অর্থ সংগ্রহ করেছেন। ফাউন্ডেশনটির নামকরণ করা হয়েছিল প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক ও ব্যাটার অ্যান্ড্রু স্ট্রসের প্রয়াত স্ত্রী রুথ স্ট্রসের নামে। ক্যান্সারের কারণে প্রিয়জনকে হারানো বা টার্মিনাল ক্যান্সারের মতো শক্ত রোগের মুখোমুখি হওয়া পরিবারগুলিকে সাহায্য করে এই সংস্থা। স্যাম জানিয়েছেন, রুথের স্মৃতিতে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার কাজে নিয়োজিত হতে পেরে তিনি গর্বিত। ক্রিকেট ও দৌড় – দুটোই তাঁর পছন্দের হওয়ার ফলে তিনি এই বিশেষ কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে যারপরনাই গর্বিত। এবং এই অসমসাহসী কাজ করে তিনি প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছে থাকলেই উপায়ও হবেই।
