Cricket News: উত্তরপ্রদেশে ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন মৌমাছির হামলায় মৃত্যু আম্পায়ারের!
মানিক গুপ্তের ভাই অমিত কুমার সংবাদ মাধ্য়মকে বলেন, মৌমাছির দল আচমকা সকলের উপর আক্রমণ করে। পরিস্থিতি বুঝে অন্যরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু মানিকবাবু বয়সে প্রবীণ হওয়ায় দ্রুত দৌড়তে পারেননি। পালাতে গিয়ে ভারসাম্য হারিয়ে মাটিতে পড়ে যান তিনি। মৌমাছির ঝাঁক তাঁকে ঘিরে ধরে। একাধিকবার হুল ফোটায়। অন্যরা আক্রমণের শিকার হলেও মানিক গুপ্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। আম্পায়ার জগদীশ শর্মা বলেন, “ড্রিংকস ব্রেক চলাকালীন হঠাৎ মৌমাছির দল আমাদের আক্রমণ করে। আমরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করি। কিন্তু মানিক ভাইয়ের বয়স বেশি হওয়ায় কারণে দ্রুত দৌড়তে পারেননি।

কলকাতা: উত্তরপ্রদেশের উন্নাও জেলার সাপরু স্টেডিয়ামে চলছিল একটি ক্রিকেট ম্যাচ। সেখানে হঠাৎই মৌমাছি হামলা করে। আর তাতেই প্রয়াত হলেন অভিজ্ঞ আম্পায়ার মানিক গুপ্ত। প্রায় ৩০ বছর আম্পায়ারিং করছেন। মানিক গুপ্ত কানপুর ক্রিকেট মহলেও অত্যন্ত পরিচিত নাম। তাঁর এই মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্রিকেট মহলে। পরিবার সূত্রে বলা হয়েছে, সে দিন সাপরু স্টেডিয়ামে দুটি ম্যাচ চলছিল। নিজের ম্যাচ শেষ করার পর মানিক গুপ্ত আর এক আম্পায়ারের সঙ্গে দেখা করতে যান। তখন চলছিল ‘ড্রিংকস ব্রেক’। ওই আম্পায়ার জগদীশ শর্মার সঙ্গে তিনি চা পান করছিলেন। হঠাৎই পিছন থেকে একঝাঁক মৌমাছি হামলা চালায়। সেই ঘটনায় প্রয়াত হয়েছেন মানিক।
এমন ঘটনা বিরল। মানিক গুপ্তের ভাই অমিত কুমার সংবাদ মাধ্য়মকে বলেন, মৌমাছির দল আচমকা সকলের উপর আক্রমণ করে। পরিস্থিতি বুঝে অন্যরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু মানিকবাবু বয়সে প্রবীণ হওয়ায় দ্রুত দৌড়তে পারেননি। পালাতে গিয়ে ভারসাম্য হারিয়ে মাটিতে পড়ে যান তিনি। মৌমাছির ঝাঁক তাঁকে ঘিরে ধরে। একাধিকবার হুল ফোটায়। অন্যরা আক্রমণের শিকার হলেও মানিক গুপ্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। আম্পায়ার জগদীশ শর্মা বলেন, “ড্রিংকস ব্রেক চলাকালীন হঠাৎ মৌমাছির দল আমাদের আক্রমণ করে। আমরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করি। কিন্তু মানিক ভাইয়ের বয়স বেশি হওয়ায় কারণে দ্রুত দৌড়তে পারেননি। আমরা মাটিতে শুয়ে পড়েছিলাম, তবুও মৌমাছিরা আক্রমণ চালায়। মানিক ভাই গুরুতর ভাবে আক্রান্ত হন।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মানিককে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত মানিক গুপ্ত ছিলেন রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার প্যানেলের আম্পায়ার। কানপুর ক্রিকেট সংস্থার সদস্ওয। তাঁর সততা ও পেশাদারিত্বের জন্য তিনি ক্রিকেট মহলে বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। মানিক গুপ্তের প্রতিবেশী ভারতেন্দু পুরী বলেন, “তিনি সারাজীবন আম্পায়ারিং করেছেন এবং পরিবারের দায়িত্ব সামলেছেন। ক্রিকেটের প্রতি তাঁর অগাধ ভালোবাসা ছিল। এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কানপুর ক্রিকেট মহলে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।”
এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্থানীয় ক্রীড়ামহলও স্তম্ভিত। প্রশ্ন উঠেছে সাপরু স্টেডিয়ামে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন ক্রিকেটপ্রেমী ও ক্রীড়া সংগঠকরা।
