Chris Cairns: ক্যানসার আক্রান্ত ক্রিস কেয়ার্নস
সোশ্যাল মিডিয়ায় কেয়ার্নস বলেন, 'আরও একটা লড়াই অপেক্ষা করে রয়েছে আমার জন্য। তবে এক্ষেত্রে একটা দুরন্ত আপার কাট দরকার। আর সেটা পয়লা রাউন্ডেই করতে হবে।' ৬২ টেস্ট খেলার পাশাপাশি ২১৫ ওয়ান ডে খেলেছেন ক্রিকেট কেরিয়ারে। ১৯৮৯ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে খেলেন ক্রিস কেয়ার্নস। নিউজিল্যান্ডের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার বলা হয় তাঁকে।

ক্রাইস্টচার্চ: আরও অবনতির দিকে ক্রিস কেয়ার্নস (Chris Cairns)। ক্যানসার আক্রান্ত নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) প্রাক্তন অলরাউন্ডার। সেই কথা নিজেই ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছেন কেয়ার্নস। বাওয়েল ক্যানসারে ভুগছেন তিনি। গত পাঁচ মাস আগেই অস্ট্রেলিয়ার (Australia) ক্যানবেরায় হৃদরোগের চিকিত্সা হয় কেয়ার্নসের। অস্ত্রোপচারের পর পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হন প্রাক্তন কিউয়ি অলরাউন্ডার। দীর্ঘদিন রিহ্যাবের মধ্যেই ছিলেন। তবে এই জটিল পরিস্থিতিতে পড়ে কেয়ার্নস যে অনেকটাই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন, কোনও সন্দেহ নেই। কিউয়ি ক্রিকেটার লড়াকু হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। ২২ গজের সেই লড়াই এবার জীবনে এনে ফেলতে চাইছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কেয়ার্নস বলেন, ‘আরও একটা লড়াই অপেক্ষা করে রয়েছে আমার জন্য। তবে এক্ষেত্রে একটা দুরন্ত আপার কাট দরকার। আর সেটা পয়লা রাউন্ডেই করতে হবে।’ ৬২ টেস্ট খেলার পাশাপাশি ২১৫ ওয়ান ডে খেলেছেন ক্রিকেট কেরিয়ারে। ১৯৮৯ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে খেলেন ক্রিস কেয়ার্নস। নিউজিল্যান্ডের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার বলা হয় তাঁকে।
কয়েকদিন আগেই চারবার ওপেন হার্ট সার্জারি হয়। তিনি বেঁচে ফিরবেন এমন আশাও হয়তো অনেকে ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি একজন ক্রিকেটার। লড়াই তাঁর মজ্জায় মজ্জায়। লাইফ সাপোর্টে পাঠিয়ে দিতে হয় প্রাক্তন নিউজিল্যান্ড অলরাউন্ডারকে। জ্ঞান ফিরতে জানা যায় কোমরের নিচ থেকে প্যারালাইজড। এই অবস্থাতেই তাঁর মনে হয়েছিল, আর কোনও দিন নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবেন না। পারবেন না নিজের পায়ে হাঁটতে। কিন্তু চারমাস পর ছবিটা বদলেছে। আবার নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছেন ক্রিস কেয়ার্নস। ধীরে ধীরে শুরু করেছেন শরীর চর্চা।
View this post on Instagram
৫১ বছরের প্রাক্তন কিউই অলরাউন্ডার আগে বলেছেন, “কখনও ভাবিনি, আবার নিজের পায়ে উঠে দাঁড়াতে পারব। মনে হচ্ছিল, বাকি জীবনটা কাটবে হুইল চেয়ারে। সেভাবেই নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছিলাম। ১৪ সপ্তাহের একটা অসম লড়াই। ওপেন হার্ট সার্জারি যখন চলছে, তখনকার কোনও স্মৃতি আমার মনে নেই। মনে আছে সেদিন আমার বাচ্চাদের স্কুলে ছাড়তে গিয়েছিলাম। তারপর যখন চোখ খুললাম আমি সিডনির হাসাপাতালে। তখন জানতে পারি ন’দিন পর জ্ঞান ফিরেছে আমার।”
বাংলা টেলিভিশনে প্রথমবার, দেখুন TV9 বাঙালিয়ানা
আরও পড়ুন: India vs West Indies: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে সেঞ্চুরি করলেই এই রেকর্ড ভাঙবেন বিরাট
