MS Dhoni: বানিজ্যিক কাজে ব্যবহার আবাসিক জমি, চরম বিতর্কে মহেন্দ্র সিং ধোনি!
ঝাড়খণ্ড হাউজিং বোর্ডের চেয়ারম্যান সঞ্জয় লাল পাসওয়ান জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট জমিটি একটি বৃহত্তর আবাসিক বরাদ্দ প্রকল্পের অংশ ছিল। কয়েকটি সম্পত্তিতে বাণিজ্যিক কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগ সামনে আসার পর বোর্ড তদন্ত শুরু করে।

কলকাতা: মাঠের বাইরের বিতর্কে খুব কমই জড়ান। কিন্তু প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক এখন রাঁচির একটি সম্পত্তি সংক্রান্ত অভিযোগে ঝাড়খণ্ড হাউজ়িং বোর্ডের নজরে এসেছেন। ইন্ডিয়া টুডে-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, হারমু রোডে অবস্থিত একটি আবাসিক প্লট নিয়ে ধোনিকে নোটিস পাঠিয়েছে হাউজ়িং বোর্ড। ওই জমিটি কেবলমাত্র আবাসিক ব্যবহারের জন্যই বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, সেখানে বাণিজ্যিক কার্যকলাপ চালানো হয়েছে, যা শর্তভঙ্গের সামিল। আর সেই অভিযোগ মহেন্দ্র সিং ধোনির বিরুদ্ধে।
ঝাড়খণ্ড হাউজিং বোর্ডের চেয়ারম্যান সঞ্জয় লাল পাসওয়ান জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট জমিটি একটি বৃহত্তর আবাসিক বরাদ্দ প্রকল্পের অংশ ছিল। কয়েকটি সম্পত্তিতে বাণিজ্যিক কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগ সামনে আসার পর বোর্ড তদন্ত শুরু করে। পাসওয়ান স্পষ্ট করেছেন, শুধু ধোনিকেই নয়, এমন অভিযোগে আরও কয়েক জনের বিরুদ্ধেও রয়েছে। যে কারণে কিছু কর্মকর্তাকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। আবাসিক প্লটে বাণিজ্যিক ব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ।
বোর্ডের অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনায় বিষয়টি সামনে আসে। এরপর ধোনিকে চূড়ান্ত নোটিস পাঠিয়ে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। যদি তাঁর জবাব সন্তোষজনক না হয় বা নিয়ম না মানা হয়ে থাকে, হাউজ়িং বোর্ডের ভূমি-ব্যবহার নিয়ম অনুযায়ী ধোনির সম্পত্তি বাতিলের দিকেও এগোতে পারে বোর্ড। হারমু রোডের এই সম্পত্তিটিই একসময় ধোনির বাসভবন ছিল। পরে তিনি রাঁচির রিং রোডে নতুন বাড়ি বানিয়ে চলে যান। বর্তমানে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, ওই আবাসিক বাড়ি থেকে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালানো হচ্ছিল।
ক’দিন পরেই আইপিএলে খেলতে চেন্নাইয়ের হয়ে মাঠে নামার কথা ধোনির। গত মরসুমে হাতের চোটের কারণে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় আইপিএল থেকে ছিটকে যাওয়ায় ধোনিই দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তবে এবার দলকে আরও শক্তিশালী করেছেন তিনি। সঞ্জু স্যামসন, সরফরাজ খান, ম্যাট হেনরি সঙ্গে দুই অনক্যাপড তরুণ প্রশান্ত ভীর ও কার্তিক শর্মাদের নেওয়া হয়েছে।
