ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের এল ক্লাসিকো। ম্যাচটা জমজমাট হবে সেটাই প্রত্যাশিত। রোমাঞ্চ হল। কিন্তু প্রত্যাশাপূরণ হল না চিপকের গ্যালারির। ২০১২ থেকে যে ‘রীতি’ চালু হয়েছিল, সেই ধারা বজায় রইল। এ বারও আইপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিততে পারল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নির্বাসনের কারণে ছিলেন না হার্দিক। এই ম্যাচে মুম্বইকে নেতৃত্ব দেন সূর্যকুমার যাদব। চেন্নাই দুর্গে ম্যাচ শেষ ওভার অবধি নিয়ে যাওয়াটাও কম নয়। কারণ, পুঁজি খুবই কম ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। শেষ অবধি ৪ উইকেটে জয় চেন্নাই সুপার কিংসের। ব্যাটারদের চেয়েও এই ম্যাচে নজর কাড়লেন দু-দলের দুই চায়নাম্যান।
চিপকে টস জিতে রান তাড়ার সিদ্ধান্ত নেন চেন্নাই সুপার কিংস ক্যাপ্টেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছিলেন, ঋতুরাজ কি ভুল সিদ্ধান্ত নিলেন? যদিও ম্যাচ শুরুর পর চিত্রটা বদলাতে শুরু করল। ম্যাচ যত এগিয়েছে, রোমাঞ্চও বেড়েছে। প্রথম ওভারেই রোহিত শর্মার উইকেট! স্পেলের দ্বিতীয় ওভারে এসে রায়ান রিকলটনকেও খলিল আহমেদ।
ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ পায়নি মুম্বই। রবিচন্দ্রন অশ্বিন হলুদ জার্সিতে ফেরার ম্যাচে প্রথম ওভারেই উইল জ্যাকসের উইকেট নেন। তবে ম্যাচটা হয়ে ওঠে দুই বাঁ হাতি রিস্ট স্পিনারের লড়াই। আইপিএল কেরিয়ার শুরু হয়েছিল গুজরাট টাইটান্সে। সেই আফগান চায়নাম্যানকে এ বার নিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। হলুদ জার্সিতে প্রথম ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে নিলেন ৪ উইকেট। সূর্যকুমার যাদব (২৯), তিলক ভার্মা (৩১) এবং শেষ দিকে দীপক চাহারের ১৫ বলে ২৮ রানের ক্যামিওতে চেন্নাইকে ১৫৬ রানের টার্গেট দেয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।
রান তাড়ায় চেন্নাইও শুরুতেই উইকেট হারায়। তবে ওপেনার রাচিন রবীন্দ্রর সঙ্গে দুর্দান্ত জুটি গড়েন ক্যাপ্টেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ২৬ বলে ৫৩ রানে ফেরেন সিএসকে ক্যাপ্টেন। তাঁকে ফিরিয়ে টি-টোয়েন্টি অভিষেকে উইকেটের খাতা খোলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের তরুণ চায়নাম্যান বিগ্নেশ পুথুর। শেষ অবধি ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে ৩ উইকেট। ধোনি যখন ক্রিজে নামেন চেন্নাইয়ের চাই আর ৪ রান। ধোনি দুটি ডেলিভারি সামলান। উইনিং শট নেননি। শেষ ওভারের প্রথম ডেলিভারিতে ছয় মেরে ম্যাচ ফিনিশ করেন রাচিন রবীন্দ্র। ফলে ধোনিকে ব্যাট হাতে দেখা গেলেও, ‘ব্যাটিং’-এর দেখা মিলল না।
আইপিএলের আরও খবর পড়তে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।