সেই দৃশ্য কি ভোলা যায়? একেবারেই নয়। গত মরসুমের ঘটনা। চর্চা থামেনি আজও। বরং, জল্পনা। একই পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না তো! এবার কি ফায়ারিং স্কোয়াডের সামনে পন্থ? হঠাৎ কেন আজ এই নিয়ে এত আলোচনা?
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে নতুন মরসুম শুরু করেছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। সব দিক থেকেই যেন নতুন। আইপিএলের মেগা অকশনে রেকর্ড গড়েছে লখনউ। ২৭ কোটি টাকায় নিয়েছে ঋষভ পন্থকে। তাঁকে নেতৃত্বও দিয়েছে লখনউ। আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি ক্রিকেটারই শুধু নন, ক্যাপ্টেনও। রেকর্ডের সঙ্গে বোনাস হিসেবে জুটেছে পাহাড় প্রমাণ চাপও। ২৭ কোটির প্রাইস ট্যাগ। শুরুটা যে হতাশার!
নিজের সদ্য প্রাক্তন দল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছেন পন্থ। কিপার-ক্যাপ্টেন-ব্যাটার। তিন ভূমিকাতেই ফ্লপ। ব্যাটিংয়ে ৬ বল সামলে শূন্য। কিপিংয়ে শেষ ওভারে স্টাম্পিং মিস। ১৩ ওভার অবধিও ম্যাচ ৯০ শতাংশের বেশি লখনউয়ের নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু আশুতোষ শর্মার বিধ্বংসী ইনিংসে মাত্র ১ উইকেটে জয় দিল্লি ক্যাপিটালসের। স্টাম্পিং মিস যদি একটা কারণ হয়, নেতৃত্বও তো কারণ। না হলে এই ম্যাচ হাতছাড়া হয়!
দিল্লির কাছে শেষ মুহূর্তে হারের পরই সাইড লাইনে নজরে আসে একটা দৃশ্য। লখনউ সুপার জায়ান্টসের কর্ণধার কথা বলছেন ঋষভ পন্থের সঙ্গে। স্বস্তি একটাই, দু-জনের মুখেই হাসি। কিন্তু গত বারের সেই দৃশ্যের পর আলোচনা শুরু হয়ে যায়। লোকেশ রাহুলের পরিস্থিতিতে পড়তে চলেছেন না তো ঋষভ পন্থ?
গত মরসুমে পাওয়ার হিটিংয়ের নতুন রূপ দেখিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। শুরুতে অভিষেক শর্মা এবং ট্রাভিস হেড। এরপর নীতীশ রেড্ডি, হেনরিখ ক্লাসেনরা ছিলেন। লখনউকে হায়দরাবাদের মাঠে দুরমুশ করেছিল সানরাইজার্স। এরপরই সেই বহু চর্চিত দৃশ্য। এবার হায়দরাবাদ ব্যাটিং আক্রমণে যোগ হয়েছে ঈশান কিষাণের মতো আরও এক বিধ্বংসী ব্যাটার। যিনি নতুন জার্সিতে প্রথম ম্যাচেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্ক থাকছে। সব কিছুর পুনরাবৃত্তি হবে না তো!