AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

KKR : কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি নাইটরা, মত অশ্বিনের!

কলকাতা শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০২৪ সালে। ১০ বছরের অপেক্ষার শেষে অবশেষে রাজ্যবাসীকে আনন্দ-মুখরিত করে তুলেছিলেন শ্রেয়স, রাসেলরা। কিন্তু পরের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালেই নাইটরা ছেড়ে দিয়েছিল শ্রেয়সকে। সেই বছরই পাঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক হয়ে পাঞ্জাবকে আইপিএলের ফাইনালে তুলেছিলেন শ্রেয়স।

KKR : কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি নাইটরা, মত অশ্বিনের!
Image Credit: Getty Images
| Edited By: | Updated on: Mar 22, 2026 | 1:10 PM
Share

কলকাতা : আইপিএলে বরাবরই নাইট দলের প্রধান অস্ত্র হল স্পিন বোলিং। মাঝের ওভারগুলিতে স্পিনারদের ৮ ওভারই বারবার ফারাক গড়ে দিয়েছে ম্যাচে। সুনীল নারিন, বরুণ চক্রবর্তীরা বহুবার নাইটদের ত্রাতা রূপে আবির্ভূত হয়েছেন। গত কয়েক বছরে তাঁদের জুটি ত্রাস হয়ে উঠেছিল বিপক্ষের কাছে। কিন্তু এই বছর যেন কোনও কিছুই ঠিক হচ্ছে না কেকেআর-এর। আইপিএলের দিন দশেক আগে থেকেই একের পর এক চোট-আঘাতে জর্জরিত নাইটরা। প্রাক্তন ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন মনে করেন, নাইটদের বোলিংয়ে সেই ধার আর নেই। তাঁদের স্পিন রহস্যও ফিকে হয়ে গিয়েছে, এমনই মত অশ্বিনের।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কেকেআর নিয়ে বিশ্লেষণ করার সময় অশ্বিন বলেছেন,”আমার মনে হয় না, কেকেআরের বোলিং নিয়ে বিপক্ষরা আর চিন্তিত হবে। কারণ, আগে তাদের বোলিংয়ে যে ভয় ধরানো বিষয় ছিল, যে রহস্য ছিল, সেটা এখন আর নেই। আগে এমন বহুবার হয়েছে যে নাইট বোলারদের হাত ঘোরানো দেখার জন্য বিপক্ষের ব্যাটাররা ভিডিও অ্যানালিস্টের কাছে যেত বা এক রান নিয়ে নন-স্ট্রাইকার এন্ডে চলে যেত। কিন্তু এখন আর সেই ভীতি দেখা যায় না।” এই বছর নাইট দলে রয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাঁর ভাল ফর্ম থাকলেও শেষের ম্যাচগুলিতে সেই অর্থে উইকেট পাননি বরুণ। এই নিয়েই চিন্তায় থাকবে কেকেআর। তাঁকে নিয়ে অশ্বিনের মত,”বরুণের নতুনত্ব আর নেই। কিন্তু এই অফ ফর্ম থেকে ওকে নিজেকেই বের হতে হবে।” বরুণের সঙ্গী হবেন সুনীল নারিন। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে নারিনের স্পিন ঘিরে আর ভীতি সঞ্চার হয় না ব্যাটারদের মনে। এবছর নিলামের পর থেকেই একাধিক নাইট ক্রিকেটার আইপিএল থেকে ছিটকে গিয়েছেন। হর্ষিত রানার পর গতকাল বিদায় ঘটে গেল বাংলার পেসার আকাশ দীপেরও। এই বিষয়ে অশ্বিন বলছেন,”কেকেআরের বোলিংয়ে গভীরতা থাকলেও নিলামের পর থেকেই চোট-আঘাতে জর্জরিত দল। ওদের বোলিংয়ে গভীরতা থাকলেও মুস্তাফিজ, হর্ষিত, আকাশ দীপের না থাকাটা নাইট বোলিংয়ের ছবিটা বদলে দিয়েছে। ব্লেসিং মুরাজাবানিকে দলে নিলেও কেকেআরের বোলিং দুর্বল হয়ে গিয়েছে। ব্লেসিং ভাল বোলার, পরিশ্রমী কিন্তু এই দুর্বল বোলিং নিয়ে কেকেআর শুরু থেকেই ব্যাকফুটে থাকবে। কেকেআরের বোলিংকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো কাউকে চোখে পড়ছে না আমার।” ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়েও চিন্তিত অশ্বিন। ২বার আইপিএল জয়ী এই স্পিনারের মতে,”অস্ট্রেলিয়ার কাছে টেস্ট বেশি প্রাধান্য পাওয়ায় তারা কি গ্রিনকে ৪ ওভার বল করার অনুমতি দেবে ? গ্রিনকে নিয়েও চিন্তা থাকবে নাইট শিবিরে।”

কলকাতা শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০২৪ সালে। ১০ বছরের অপেক্ষার শেষে অবশেষে রাজ্যবাসীকে আনন্দ-মুখরিত করে তুলেছিলেন শ্রেয়স, রাসেলরা। কিন্তু পরের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালেই নাইটরা ছেড়ে দিয়েছিল শ্রেয়সকে। সেই বছরই পাঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক হয়ে পাঞ্জাবকে আইপিএলের ফাইনালে তুলেছিলেন শ্রেয়স। এই বছর অবসর নিয়েছেন রাসেলও। তিনি এবার দলের ‘পাওয়ার কোচ’-এর ভূমিকায়। ফলে, অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানের উপর যেমন প্রত্যাশা পূরণের চাপ থাকবে, তেমনই ২৯ তারিখ প্রথম ম্যাচের আগে চিন্তায় থাকবেন নাইট কোচ অভিষেক নায়ারও।

Follow Us