AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Virat Kohli: কেন মায়ের কাছে সব ট্রফি পাঠিয়েছেন? কারণ জানলে বিরাট কোহলি

Indian Cricket Team, Virat Kohli: নিউজিল্যান্ডের লেগস্পিনার আদিত্য অশোকের বলে চার মেরে এই ঐতিহাসিক রান পূর্ণ করেন কোহলি। ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য তাঁকে ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয়। ম্যাচের পর কোহলি বলেছেন, “নিজের পুরো যাত্রার দিকে তাকালে স্বপ্নের মতো মনে হয়।"

Virat Kohli: কেন মায়ের কাছে সব ট্রফি পাঠিয়েছেন? কারণ জানলে বিরাট কোহলি
মাকে সব ট্রফি কোহলির!
| Edited By: | Updated on: Jan 13, 2026 | 3:55 PM
Share

কলকাতা: আবার যেন স্বপ্নের ছন্দ ফিরে পেয়েছেন। দেশ বা রাজ্য, যে দলের হয়েই নামুন না কেন, দুরন্ত পারফর্ম করছেন। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম ওয়ান ডে ম্যাচেও অবিশ্বাস্য পারফর্ম করেছেন। ভারতীয় ক্রিকেটের মহাতারকা বিরাট কোহলি রবিবার জানিয়েছেন, তাঁর ক্রিকেট যাত্রা এখনও পর্যন্ত স্বপ্নপূরণের মতো। খেলার কারণে তিনি অগণিত মানুষের মুখে হাসি এনে দিতে পেরেছেন। তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি এটাই বলে মনে করেন ভিকে।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ান-ডেতে আরও একটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ৩৭ বছর বয়সি এই তারকা ক্রিকেটার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন ফর্ম্যাট মিলিয়ে দ্রুততম ২৮,০০০ রান করেছেন। ৬২৪তম ইনিংসে পৌঁছে কোহলি হয়ে উঠেছেন দ্রুততম ক্রিকেটার। এর আগে সচিন তেন্ডুলকর ৬৪৪ এবং শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা ৬৬৬ ইনিংসে এই মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন। এই তালিকায় কোহলি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। সচিনের পরেই তাঁর স্থান।

নিউজিল্যান্ডের লেগস্পিনার আদিত্য অশোকের বলে চার মেরে এই ঐতিহাসিক রান পূর্ণ করেন কোহলি। ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য তাঁকে ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয়। ম্যাচের পর কোহলি বলেছেন, “নিজের পুরো যাত্রার দিকে তাকালে স্বপ্নের মতো মনে হয়। শুরুতে নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে জানতাম। কিন্তু আজ আমি এখানে পৌঁছতে আমাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। ঈশ্বর আমাকে এত কিছু দিয়েছেন যে, অভিযোগ করার মতো আর কিছুই নেই। তাই আমি শুধুই কৃতজ্ঞ।”

বিরাট বলেছেন, “আমি সবসময় আমার যাত্রা নিয়ে খুবই গর্ববোধ করি। এত মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন পাওয়া সত্যিই সৌভাগ্যের ব্য়াপার।” কোহলি সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন যে, তিনি নিজের সমস্ত ট্রফি তাঁর মায়ের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন গুরগাঁওয়ের বাড়িতে। তাঁর কথায়, জীবনের শুরু থেকে তাঁর মা সবসময় পাশে থেকেছেন। তাই মায়ের কাছেই তাঁর সাফল্যের স্মারকগুলো সবচেয়ে নিরাপদ। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন,মাঠের বাইরেও কতটা আবেগপ্রবণ ও পরিবারকেন্দ্রিক মানুষ কোহলির। বিশ্বজুড়ে যেখানেই খেলতে যান, সেখানেই ভক্তদের ভালোবাসা ও সম্মান পান’কিং কোহলি’। তাঁর এই ভাবনা নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে আগামী প্রজন্মের ক্রিকেটারদের কাছে।