Asian Games 2023: ‘জাদু নয়, টেকনিক্যাল বিষয়ে জোর দিয়েই জিতেছি’, বললেন স্টিমাচ
Indian Football, Igor Stimac: কোনও রকম প্রস্তুতি ছাড়াই চিনে খেলতে গিয়েছে ভারত। অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবলারদের সঙ্গে সিনিয়র ফুটবলার হিসেবে রয়েছেন সন্দেশ ঝিঙ্গান আর দলনায়ক সুনীল ছেত্রী। ফুটবলারদের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব স্পষ্ট। গেমস শুরুর আগেই যে আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন সুনীল। মাঠে তা স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। ক্রমতালিকায় ভারতের চেয়ে কয়েক ধাপ পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিততে ৮৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় সুনীলদের। তাও পেনাল্টি থেকে জয়লাভ করে স্টিমাচের দল।

হানঝাউ: চিনের কাছে প্রথম ম্যাচে পর্যুদস্ত হওয়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারতীয় ফুটবল দল। বাংলাদেশকে ১-০ হারিয়ে এশিয়ান গেমসের আশা জিইয়ে রেখেছেন সুনীল ছেত্রী, সন্দেশ ঝিঙ্গানরা। রবিবার ভারতের সামনে মায়ানমার। এই ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট পেলেই পরের রাউন্ডে পৌঁছে যাবেন সুনীলরা। হারলেও বেঁচে থাকবে আশা। সেক্ষেত্রে তৃতীয় সেরা দল হয়ে শেষ ষোলোয় যাওয়ার সুযোগ থাকবে। যদিও তাকিয়ে থাকতে হবে বাকি দলগুলোর দিকে। তবে মায়ানমার ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট ছাড়া কিছুই ভাবছেন না ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিমাচ। বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
কোনও রকম প্রস্তুতি ছাড়াই চিনে খেলতে গিয়েছে ভারত। অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবলারদের সঙ্গে সিনিয়র ফুটবলার হিসেবে রয়েছেন সন্দেশ ঝিঙ্গান আর দলনায়ক সুনীল ছেত্রী। ফুটবলারদের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব স্পষ্ট। গেমস শুরুর আগেই যে আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন সুনীল। মাঠে তা স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। ক্রমতালিকায় ভারতের চেয়ে কয়েক ধাপ পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিততে ৮৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় সুনীলদের। তাও পেনাল্টি থেকে জয়লাভ করে স্টিমাচের দল।
রবিবারের মায়ানমার ম্যাচের ভাবনায় ঢুকে পড়েছেন কোচ ইগর স্টিমাচ। ম্যাচের ৪৮ ঘণ্টা আগে তিনি বলছেন, ‘মায়ানমার ম্যাচ জিতে পরের রাউন্ডে কোয়ালিফাই করতে চাই। জিতি কিংবা ড্র করি, আমাদের কোয়ালিফাই করতেই হবে। তবে জেতার মানসিকতা নিয়েই মাঠে নামব। চিনের কাছে হারের পর প্রচুর সমালোচনা হয়েছিল আমাদের নিয়ে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পজিটিভ মনোভাব নিয়েই মাঠে নেমেছিলাম। আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে, এই ম্যাচ থেকে জয় পাব। তার জন্য আমরা কঠোর লড়াই চালাই।’
এশিয়ান গেমসে খেলতে এসে অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হয় ভারতীয় দলকে। যদিও তা নিয়ে মুখ খুলতে চাননি স্টিমাচ। তিনি বলেন, ‘এখানে আসার আগে যে সমস্যায় পড়েছিলাম, তা নিয়ে মুখ খুলতে চাই না। ফুটবলারদের সব সময় এই ব্যাপার থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করি। কী ভাবে সাফল্য আসবে সবসময় সেই উপায়ই বাতলে দিই। ধৈর্য্য সহকারেও তারাও আমার সেই উপদেশ মেনে চলে। অ্যাটাকিং থার্ডে কী ভাবে আক্রমণ শানাতে সে ব্যাপারে আমরা প্ল্যানিং করি। ৩-৪-১-২ ফর্মেশনে খেলে আমরা বিপক্ষের উপর চাপ তৈরি করি। কোনও ম্যাজিক নয়। টেকনিক্যাল বিষয়ে জোর দিয়েই বাংলাদেশ ম্যাচ জিতেছি। ছেলেদের প্ল্যান বাতলে দিয়েছি। ওরা সেই মতোই এগিয়ে চলে।’





