Kolkata Derby, ISL: জেনে-বুঝেও কেন ব্রিগেড? ডার্বিতে এ বার লাগল রাজনীতির রং
East Bengal vs Mohun Bagan: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্রীড়া প্রেমী মানুষ। তিনি সব সময় তিন প্রধানকে গুরুত্ব দেন। এই তিন ক্লাবের কোনও অনুষ্ঠান থাকলে ঠিক হাজির থাকেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্লাবের উন্নয়নে অনুদানও দেন। তাঁরই রাজনৈতিক পার্টি তৃণমূল কেন ১০ মার্চ ব্রিগেড ডাকল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে।

কলকাতা: আইএসএলের (ISL) ফিরতি ডার্বি নিয়ে টালবাহানার শেষ নেই। নির্ধারিত ছিল, ১০ মার্চ যুবভারতীতেই হবে মরসুমের শেষ বড় ম্যাচ। স্কোর লাইনের নিরিখে ২-১ এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ফিরতি ডার্বির আয়োজক ইস্টবেঙ্গল। যে কারণে এই ম্যাচ ঘিরে তুমুল আগ্রহ রয়েছে বাংলার ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে। ইস্টবেঙ্গল যতই তলানিতে থাকুক লিগ টেবলের, এই সম্মানের ডার্বি জিততে পারলে সমর্থকদের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে। সেই সঙ্গে আইএসএলে প্রত্যাবর্তনও হতে পারে। প্রথম চারে থাকার অঙ্কও সাজাতে সুবিধা, যদি মোহনবাগানকে হারাতে পারে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এখন ডার্বি কোথায় হবে, কোন দিন হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। চিঠি চালাচালি, বাগবিতণ্ডার মধ্যেই কিন্তু ডার্বিতে লেগে গেল রাজনীতির রং।
বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্রীড়া প্রেমী মানুষ। তিনি সব সময় তিন প্রধানকে গুরুত্ব দেন। এই তিন ক্লাবের কোনও অনুষ্ঠান থাকলে ঠিক হাজির থাকেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্লাবের উন্নয়নে অনুদানও দেন। তাঁরই রাজনৈতিক পার্টি তৃণমূল কেন ১০ মার্চ ব্রিগেড ডাকল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। ডিওয়াইএফআই প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রশ্ন তুলে দিল, অনেক আগে থেকেই ১০ মার্চ যে বড় ম্যাচ হবে, তা নিশ্চিত ছিল। তার পরও কেন ওই দিন ব্রিগেড সমাবেশ ডাকল তৃণমূল? রাজ্য সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি সাহা ও রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় যৌথ্য ভাবে জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, ‘তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের ধাক্কায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বাংলার ফুটবলের চিরন্তন বড় ম্যাচ। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, তাঁর সরকার নাকি বাংলার খেলাধুলোর পাশে আছে। অথচ তাঁর দলের খামখেয়ালী সিদ্ধান্তে আঘাত পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের অগণিত সমর্থকের আবেগ। অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বাংলার বড় ম্যাচ। ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান সমর্থক নির্বেশেষে এর প্রতিবাদে গর্জে উঠুন।’
১০ মার্চের ব্রিগেডের কারণেই ডার্বিতে পুলিশ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ বড় ম্যাচ যুবভারতীতে আয়োজন করা সম্ভব হবে না। ভিন রাজ্যে হয়তো সরে যাচ্ছে ডার্বি। প্রথমে ভাবা হয়েছিল ভুবনেশ্বরে আয়োজন করা হতে পারে। এখন শোনা যাচ্ছে, জামশেদপুরে হতে পারে এই ম্যাচ।
