Mohun Bagan Match: লি-র গোল, মিগুয়েলের পেনাল্টি মিস! নর্থইস্টের কাছে আটকে গেল মোহনবাগান!
Mohun Bagan Supergiant vs North East United: যদিও আজকের ম্যাচ নিয়ে চিন্তা থাকবে বাগান কোচ প্যানোসের। চোট পেয়েছেন বাগানের অজি স্ট্রাইকার জেমি ম্যাকলারেন। ফর্মে নেই লিস্টন। যেখানে ইস্টবেঙ্গল নিজেদের তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে এত গতিশীল ফুটবল খেলছে, সেখানে এত নামি খেলোয়াড় নিয়েও কেন এত দৃষ্টিকটু খেলা উপহার দিচ্ছে বাগান?

মোহনবাগান – ১ (লি) : নর্থইস্ট – ১ (এথিয়ান)
কলকাতা : চলছে আইএফএ শিল্ড। ইতিমধ্যেই সেমি ফাইনালে উঠে গিয়েছে মোহনবাগান এসজি। তবে এর মধ্যেই আজ ছিল তাদের গ্ৰুপ পর্বের শেষ ম্যাচ। ঘরের মাঠে সেই ম্যাচ ড্র করল বাগান। পেনাল্টি মিস করলেন বাগানের ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল। ফলে অপরাজিত থেকেই নক আউট খেলবে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। একই সঙ্গে শেষ চারে পৌঁছে গেল পাহাড়ের দলটি। যদিও, নর্থইস্ট সাম্প্রতিক সময়ে বাগানের কাছে খুব একটি সহজ প্রতিপক্ষ নয়। সাম্প্রতিক সময়ে ডুরান্ড ফাইনাল হারতে হয়েছে এই নর্থইস্টের কাছেই। অভিনেতা জন আব্রাহামের দলের কাছে আজকেও আটকে গেল প্যানোসের ছেলেরা।
আজ কি মাঠে আদৌ কোনও বারপোস্ট লাগানো ছিল? না, মানে এত উদ্দেশ্যহীনভাবে খেলতে বহুদিন দেখা যায়নি সবুজ-মেরুনকে। আজ মোট ৪ বিদেশী অর্থাৎ সমীর জেলকোভিচ, লি আরউইন, আলবার্তো ও দেজান ড্রাজিচকে দলে রেখেছিলেন বাগান কোচ প্যানোস। উল্টোদিকে, নর্থইস্ট দলের ১১ জনই ছিলেন স্বদেশী। প্রথম থেকেই আক্রমণ শানায় মোহনবাগান। তবে ভুল এখানেই। কোনও বাগান ফুটবলারের মধ্যে কোনও বোঝাপড়া নেই। যেমন, লিস্টন কোলাসো। তিনি যা যা মিস করেন, ও তারপরেও সুযোগ পান, অবাক হতে হয় দলের ম্যানেজমেন্টকে নিয়ে। একই রকম ভাবে, আজ ডেজান ও সমীরকে নিয়েও বলতে হয়। আক্রমণ একগাদা হলেও যদি ফুটবলারদের মধ্যে কোনও ছন্দ না থাকে, তা সমস্যায় ফেলে দলকে। ফলে প্রথমার্ধ গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বদল করে বাগান। মিগুয়েল ও ম্যাকলারেন নামেন মাঠে। এর ফলেই এগিয়ে যায় মোহনবাগান। ম্যাকলারেনের হেড থেকে বল পান লি আরউইন। তিনি বল গোলে ঠেলতে কোনও ভুল করেননি। এর ফলে দুই ম্যাচেই গোল পেলেন এই স্কটিশ ফরোয়ার্ড। গোল খাওয়ার পর ক্রমশ পাল্টা আক্রমণ শুরু করে কিন্তু গোল পায়নি নর্থইস্ট। ৬৯ মিনিটে ড্র্যাজিচের শট হাতে লাগে থৈবা সিংয়ের। পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। কিন্তু দূর্ভাগ্য! পেনাল্টি মিস করেন মিগুয়েল। দুরন্ত সেভ দিলেন নর্থইস্টের গোলকিপার দীপেশ। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে বল সেভ দিলেন তিনি। এর ঠিক মিনিট দুইয়েকের পরেই সমতা ফেরাল পাহাড়ি দলটি। পরিবর্ত খেলোয়াড় হিসেবে গোল করে গেলেন এথিয়ান। বাগান ডিফেন্স তখন কোথায়? আলবার্তোরা স্বপ্নেও কল্পনা করেননি যে এথিয়ান গোল করে দেবেন। ম্যাচের শেষদিকেও একাধিক সহজ সহজ সুযোগ মিস করল বাগান। ফলে ম্যাচ শেষ হল ১-১ ফলে।
যদিও আজকের ম্যাচ নিয়ে চিন্তা থাকবে বাগান কোচ প্যানোসের। চোট পেয়েছেন বাগানের অজি স্ট্রাইকার জেমি ম্যাকলারেন। ফর্মে নেই লিস্টন। ভুল ফাউল করে কার্ড দেখলেন শুভাশিস বোস। যেখানে ইস্টবেঙ্গল নিজেদের তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে এত গতিশীল ফুটবল খেলছে, সেখানে এত নামি খেলোয়াড় নিয়েও কেন এত দৃষ্টিকটু খেলা উপহার দিচ্ছে বাগান? কোচ প্যানোসের মাথায় দুশ্চিন্তা কিন্তু রয়েই গেল।
