ISCE: ভারতীয় ক্রীড়ায় নতুন অধ্যায়, নতুন কোচিং অ্যাকাডেমি খুললেন গোপীচাঁদ-নীরজ চোপড়া!
Neeraj Chopra: বিশ্বমানের কোচ তৈরি করাই এই ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য। এই প্রতিষ্ঠান একাধিক বিষয়ের উপর কোচের উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করবে। স্পোর্টস সায়েন্স, ক্রীড়া বিষয়ক শিক্ষা, স্পোর্টসে কেরিয়ার গড়ার মতো বিষয়গুলিকে এখানে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এমনকি, এখানে অনেক নতুন বিষয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

কলকাতা: ভারতে স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট নামক বিষয়টি আস্তে আস্তে অনেক উন্নতি করেছে। এবার দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে একটি অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন নীরজ চোপড়ারা। তাঁর ফাউন্ডেশন, পুল্লেলা গোপীচাঁদ ব্যাডমিন্টন গুরুকুল ও AISTS INDIA আজ যৌথভাবে ইন্ডিয়ান স্কুল অফ কোচিং এক্সেলেন্স (ISCE) চালু করার ঘোষণা করল। ভারতে কোচদের ক্রীড়াকাঠামোকে আরও উন্নত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্বমানের কোচ তৈরি করাই এই ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য। এই প্রতিষ্ঠান একাধিক বিষয়ের উপর কোচের উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করবে। স্পোর্টস সায়েন্স, ক্রীড়া বিষয়ক শিক্ষা, স্পোর্টসে কেরিয়ার গড়ার মতো বিষয়গুলিকে এখানে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এমনকি, এখানে অনেক নতুন বিষয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। বেশ কিছু ক্রীড়া ফেডারেশন, স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাসোসিয়েশন, হাই-পারফরম্যান্স সেন্টারের সঙ্গে কাজ করবে এই ইন্ডিয়ান স্কুল অফ কোচিং এক্সেলেন্স।
ISCE নিয়ে পদ্মভূষণ ও দ্রোণাচার্য পুরস্কারপ্রাপ্ত পুল্লেলা গোপীচাঁদ জানান, “ভারতীয় ক্রীড়ার ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে আমরা কেমন ক্রীড়া ব্যবস্থা তৈরি করছি তার উপর। এই ক্রীড়া প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেন কোচরা। এখানে শিক্ষানবিশরা একদিকে পাবেন বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ, তেমনই পাবেন ভারতীয় শিক্ষকদের অভিজ্ঞতাও। এই উদ্যোগ ভারতীয় ক্রীড়ার ভবিষ্যৎ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। এখানে কোচেরা শিক্ষার মাধ্যমে নিয়মিত নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারবেন। “
অলিম্পিকের সোনাজয়ী ও নীরজ চোপড়া ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা নীরজ চোপড়ার মত, “একজন অ্যাথলিটের সাফল্যের পিছনে তাঁর কোচের বড় ভূমিকা থাকে। শুধু ক্রীড়াবিদ হিসেবে নয়, তাঁকে মানুষ বানানোরও দায়িত্ব নেন কোচ। তাই ভারতে নতুন প্রজন্মের ক্রীড়া তারকা তৈরি করতে হলে কোচেদের বিশ্বমানের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও আধুনিক স্পোর্টস সায়েন্স সম্পর্কে জ্ঞান থাকা উচিত। ISCE-র লক্ষ্য হল এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে কোচরা নিয়মিত নতুন কিছু শিখবেন, নিজেদের দক্ষতা বাড়াবেন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অ্যাথলিটদের আরও ভালভাবে তৈরি করবেন। “
এর পাশাপাশি ICSE-এর লক্ষ্য হল, ভারতে একটি শক্তিশালী কোচিং ব্যবস্থা তৈরি করা। বিশ্ব ক্রীড়া ফরম্যাটে আরও শক্তিশালী করে তুলতে এই ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। আর প্রত্যেক ভাল কোচেরও বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন রয়েছে। তাই, তাঁরা যাতে তাঁদের প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করতে পারেন, সেই কারণেই এই ইন্ডিয়ান স্কুল অফ কোচিং এক্সেলেন্সের গঠন করেছেন এই বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদরা।
