Real Madrid vs Roma: শেষ ৮ মিনিটে অবিশ্বাস্য কামব্যাক, মোরিনহোর ‘ঘরে ফেরা’ স্মরণীয় করলেন এমবাপেরা!
Uefa Champions League: ম্যাচের শুরুতে রোমার সমর্থকদের থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পান মোরিনহো, কারণ ২০২২ সালে এই দলকেই ইউরোপা কনফারেন্স লিগ জিতিয়েছেন তিনি। একদিকে হোসে মোরিনহো, অন্যদিকে জিয়ান পিয়েরো গ্যাসপারিনি - এই দুই কোচের মস্তিষ্কের লড়াইতে শেষ হাসি হাসলেন 'দ্য স্পেশাল ওয়ান'-ই।

রোমা : লা লিগাতে রিয়াল মাদ্রিদ একরকম , উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আর এক রকম। স্বাভাবিক, ১৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যে দল, তার স্টাইল বাকিদের সঙ্গে মিল খাবে কেন? স্প্যানিশ ফুটবলে রিয়াল মাদ্রিদকে বলা হয় ‘কামব্যাক কিং’। ৮০ মিনিট অবধি পিছিয়ে থেকেও শেষ ১০ মিনিটে যাবতীয় পাশা উল্টে দেওয়ার কাজ বহুদিন ধরেই করে আসছে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের দল। একই জিনিস হয়েছে আজ মধ্যরাতেও। আজ, বৃহস্পতিবার রোমার অলিম্পিকো স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও এএস রোমা। একদিকে হোসে মোরিনহো, অন্যদিকে জিয়ান পিয়েরো গ্যাসপারিনি – এই দুই কোচের মস্তিষ্কের লড়াইতে শেষ হাসি হাসলেন ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’-ই।
ম্যাচের শুরুতে রোমার সমর্থকদের থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পান মোরিনহো, কারণ ২০২২ সালে এই দলকেই ইউরোপা কনফারেন্স লিগ জিতিয়েছেন তিনি। ম্যাচের শুরু থেকেই ম্যাচের রাশ নিজের হাতে নিয়ে নেয় রোমা। একাধিক আক্রমণ করলেও রিয়াল মাদ্রিদের ডিফেন্স বারবার তাদের আক্রমণ প্রতিহত করতে থাকে। ১৯ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে মাদ্রিদ গোলকিপার থিবো কুর্তোয়াকে পরাস্ত করেন মার্টিন দে রুন। ১-০ এগিয়ে যায় রোমা। এর মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই সমতা ফেরায় রিয়াল। ২৪ মিনিটের মাথায় রোমার ভুলে একই ভাবে দূরপাল্লার শটে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে। এরপর প্রথমার্ধে দুই দল একাধিক চেষ্টা করলেও গোল আর আসেনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ২-১ এগিয়ে যায় ইতালির দলটি। ভিনির ভুলে বল পেয়ে যান ডানিয়েল মালেন। তাঁর জোরালো শট মাদ্রিদ অধিনায়ক ভালভার্দের গায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায়। এর কিছুক্ষন পর মাতিয়াস সুলের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই ডাচ ফরোয়ার্ড। যদিও অফসাইড পতাকা উঠলেও শেষে ভার রিপ্লে দেখে গোল দেন রেফারি। ৮২ মিনিট পর্যন্ত ৩-১ পিছিয়ে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। এরপরই শুরু হয় ঐতিহাসিক কামব্যাক।
এই কামব্যাকের প্রধান মাথা হলেন তুর্কির আর্দা গুলার। প্রথমে কর্নার থেকে ৮২ মিনিটের মাথায় গোল করেন কার্লোস এস্পি। এর মিনিট দুয়েকের মধ্যেই আবার গুলারের কর্নার থেকে ৩-৩ করে দেন এন্ড্রিক। ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে আবার গুলারের কর্নার থেকেই জয়সূচক গোল করেন জার্মান ডিফেন্ডার আন্তোনিও রুডিগার। শেষ অবধি ৩-৪ গোলে ম্যাচ জেতে রিয়াল মাদ্রিদ। এই ম্যাচ জয়ের ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্ৰুপ পর্বে টানা ২ ম্যাচে জিতল রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে, প্রথম ২ ম্যাচের পর ১ পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল রোমাকে। তবে লা লিগাতে এখনও চাপে আছে রিয়াল। ঘরের লিগে তারা বার্সেলোনার থেকে এই মুহূর্তে ৬ পয়েন্টে পিছিয়ে।
