Indian Premier League: ভাগ্য যখন খলনায়ক, একনজরে দেখে নিন আইপিএলের কিছু দূর্ভাগ্যজনক আউটগুলো!
IPL : আইপিএল মানেই বিনোদন। কিন্তু এই বিনোদন কোনও কোনও সময় বদলে যায় ট্র্যাজেডিতে, যখন দুৰ্ভাগ্যজনভাবে আউট হন কোনও ব্যাটার। যেমন, গতকাল ব্যাট উইকেটে লেগে আউট হলেন সাই সুদর্শন। তেমনই বেশ কিছু আউট নিয়ে আলোচনা রইল এই প্রতিবেদনে।

কলকাতা : আইপিএল মানেই ব্যাটে চার, ছক্কার ফুলঝুরি, প্রতি ম্যাচে ২০০-র উপর রান এবং সাধারণ মানুষের উপভোগ্য একটি ম্যাচ। যে ম্যাচে ব্যাটারদের আক্রমণ থাকে, বোলারদের প্রতিআক্রমণ থাকে এবং থাকে একটি দুর্দান্ত ম্যাচ। তবে কিছু কিছু সময় এই সব ছাপিয়ে চর্চায় উঠে আসে দুর্ভাগ্যজনক আউট। এই আউটগুলো যেমন ব্যাটারদের পক্ষে দুর্ভাগ্যজনক, তেমনি দর্শকদের জন্য নিখাদ বিনোদন।
১) সাই সুদর্শন : গুজরাট টাইটান্সের ব্যাটার সাই সুদর্শনের আউটগুলি আইপিএল ইতিহাসের অন্যতম দুর্ভাগ্যজনক আউট। গতকাল রাজস্থানের রয়্যালস ও আগের দিন আরসিবি – দুই দলের বিরুদ্ধেই ব্যাট চালানোর সময় ব্যাট তাঁর হাত থেকে ছিটকে গিয়ে উইকেট স্পর্শ করে। ফলে আউট হয়ে যান এই গুজরাটের ব্যাটার।
২) অমিত মিশ্র : সানরাইজার্সের ব্যাটার অমিত মিশরের এই আউট আইপিএলের ইতিহাসে সবথেকে দুর্ভাগ্যজনক হিসেবে ধরা হয়। ম্যাচে রাজস্থান কিপার সঞ্জু স্যামসন প্রথমে আউট করার সুযোগ মিস করলে আবার বোলার জেমস ফকনারও রান আউট করতে ব্যর্থ হন। ততক্ষনেও ক্রি়জে ঢোকেননি অমিত। তৃতীয় সুযোগ পেয়ে আর ভুল করেননি সঞ্জু। তাঁর ছোঁড়া বলে আউট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন অমিত।
৩) সচিন তেন্ডুলকর : ২০০৯ সালে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে একটি ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ানসের সচিন তেন্ডুলকর ফিল্ড অবস্ট্রাক্ট করার জন্য আউট হন। যদিও তিনি ইচ্ছে করেই হাত দিয়ে বল স্টাম্পে লাগানো থেকে আটকাতে গিয়েছিলেন।
৪) মঈন আলি : ২০১৮ সালে ফ্রি হিট বলে রান আউট হয়ে যান। ওভার স্টেপিংয়ের কারণে বোলারকে নো বল দেওয়া হয়। বলটি মঈনের প্যাডে লেগে ফিল্ডারের হাতে চলে যায়, যা তাঁকে মুখোমুখি করে এক বিব্রতকর অবস্থার।
৫) বিরাট কোহলি : ২০১৩ সালে দিল্লির বিরুদ্ধে কোহলি ৯৯ রানে আউট হয়ে যান। নাহলে ২০১৬র তিন বছর আগেই সেঞ্চুরি পেয়ে যেতেন বিরাট।
৬) জোস বাটলার : ২০১৯ সালের আইপিএল বিখ্যাত হয়ে থাকবে যে ঘটনাগুলির জন্য, তার মধ্যে একটি বিখ্যাত ঘটনা হল জোস বাটলার ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মানকাডিং। তৎকালীন পাঞ্জাব ক্যাপ্টেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন বল করার সময় নন স্ট্রাইকার এন্ডে থাকা বাটলার উইকেটের আগে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অশ্বিন কোনওরকম সতর্ক না করেই বাটলারকে রান আউট করে দেন। এর ফলে গোটা দেশজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েন অশ্বিন।
এই আউটগুলি একদিকে যেমন দর্শককে বিনোদন দেয়, তেমনই সমাজমাধ্যমে চূড়ান্ত বিতর্কের সৃষ্টি করে। তবে ক্রিকেটকে যেহেতু বলা হয় চরম অনিশ্চয়তার খেলা, তাই এই আউটগুলো এটাও প্রমাণ করে যে বাইশ গজে ভাগ্য থাকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
