AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMC News: সরকারি ক্য়াম্পের বরাতে দেড় শতাংশ ‘কাটমানি’, কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

West Bengal Election: তুষার সাহা বলেন, "সামনে নির্বাচন রয়েছে, তাই অঞ্চল সভাপতি বলেছেন দেড় পার্সেন্ট করে টাকা সংগ্রহ করতে হবে।" এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মানস রঞ্জন ঠাকুরের প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তবে মাদারিহাট বিধানসভার বিধায়ক জয়প্রকাশ টোপ্পোর কথায়, "আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না। কিন্তু এমনটা হয়ে থাকলে, তা ঠিক হয়নি বলব।"

TMC News: সরকারি ক্য়াম্পের বরাতে দেড় শতাংশ 'কাটমানি', কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে বড় অভিযোগImage Credit: নিজস্ব চিত্র
| Edited By: | Updated on: Feb 27, 2026 | 1:09 PM
Share

বানারহাট: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের অভিযোগ। তাও আবার কাটমানিকে কেন্দ্র করে। সামনেই ভোট, তার আগে এই নজির কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের নাকি সামান্য দায় ঠেলাঠেলি? আপাতত এই একটি প্রশ্ন ঘিরে উত্তাল হয়েছে বানারহাট ব্লকের সাকোয়াঝোরা। সেখানে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ঠিকাদার। তাতেই সিলমোহর দিয়েছেন সাকোয়াঝোরা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের সঞ্চালক।

ভোটের আগে জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ ক্য়াম্প। সেই ক্য়াম্পের বরাত দেওয়ার জন্যই এক ঠিকাদারের থেকে উপরি আয় করছিলেন তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি মানস রঞ্জন ঠাকুর, এমনটাই অভিযোগ। ঠিকাদার প্রদীপ রায়ের দাবি, “সঞ্চালক তুষার সাহা টাকা চেয়েছেন। সরকারি যে সকল প্রকল্পগুলির বরাত পেয়েছি, সেগুলির জন্য পার্টি ফান্ডে দেড় শতাংশ টাকা দিতে হবে।”

এই প্রসঙ্গে বলে রাখা প্রয়োজন, ঠিকাদার জানিয়েছেন, তিনি নিজেও তৃণমূল করেন। এদিকে যে সকল সরকারি বরাতগুলি পেয়েছিলেন, সেগুলি সম্পন্ন হতেই বরাত প্রতি দলের অন্য নেতাই তাঁর কাছ থেকে কাটমানির দাবি করছেন। ঠিকাদারের অভিযোগে ভিত্তিতে যোগাযোগ করা হয়েছিল পঞ্চায়েতের সঞ্চালক তুষার সাহার সঙ্গে। তিনি ভোটের প্রসঙ্গ তুলে সম্পূর্ণ দায় ঠেলে দেন তাঁর নেতার কাঁধে।

তুষার সাহা বলেন, “সামনে নির্বাচন রয়েছে, তাই অঞ্চল সভাপতি বলেছেন দেড় পার্সেন্ট করে টাকা সংগ্রহ করতে হবে।” এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মানস রঞ্জন ঠাকুরের প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তবে মাদারিহাট বিধানসভার বিধায়ক জয়প্রকাশ টোপ্পোর কথায়, “আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না। কিন্তু এমনটা হয়ে থাকলে, তা ঠিক হয়নি বলব।” কাটমানির অভিযোগ, সেই নিয়েই শাসকদলের অন্দরে বল ঠেলাঠেলি। তাতে পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পেয়েছে বিজেপি। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি কৌশিক নন্দী কটাক্ষের সুরে বলেন, “তৃণমূল আর কাটমানি কয়েনের এ পিঠ এবং ও পিঠ। যে সকল দুর্নীতির কথা আমরা বলেছিলাম, আজ সেই দুর্নীতির কথা তাঁদের দলের সদস্য়রাই বলছে।”