Bankura: ‘নাটকের জ্বলন্ত উদাহরণ’, তৃণমূলে যাওয়া বিজেপি নেতার ‘পদ’ উল্লেখ করে ধরিয়ে দিল পদ্মশিবির
Sonamukhi: দলে নবাগতদের হাতে ঘাসফুল পতাকা তুলে দেন তৃণমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তথা ওন্দার তৃনমূল প্রার্থী সুব্রত দত্ত। সুব্রত দত্তর দাবি, "বিজেপি যুব মোর্চার আড়গোড়া বুথ সভাপতির সহ ওই ৩০ টি পরিবার তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় দলের সাংগঠনিক ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেল।" এই যোগদান নিয়ে তৃণমূলকে পাল্টা খোঁচা দিয়েছে বিজেপি। বিজেপির দাবি, তাঁদের সংগঠনে যুব মোর্চার বুথ সভাপতি বলে কোনও পদই নেই। আসলে নিজের দলের লোকেদেরই ফের পতাকা ধরিয়ে যোগদানের নাটক করেছে তৃণমূল।

বাঁকুড়া: ভোটের আগে গেরুয়া শিবিরে ভাঙন। সোনামুখীতে ‘বিজেপির যুব মোর্চার বুথ সভাপতি’-সহ স্থানীয় আড়গোড়া গ্রামের ৩০ টি পরিবার বিজেপি ছেড়ে যোগ দিলেন তৃণমূলে। চলতি সপ্তাহেই বাঁকুড়ার সোনামুখী বিধানসভার পাত্রসায়েরে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী যোগ দেন বিজেপিতে। সেই নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর ছিলই। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে এবার সেই পাত্রসায়ের ব্লকেই উলটপুরান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাত্রসায়ের ব্লকের প্রায় ৩০ টি পরিবার বিজেপি ছেড়ে যোগ দিল তৃণমূলে।
দলে নবাগতদের হাতে ঘাসফুল পতাকা তুলে দেন তৃণমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তথা ওন্দার তৃনমূল প্রার্থী সুব্রত দত্ত। সুব্রত দত্তর দাবি, “বিজেপি যুব মোর্চার আড়গোড়া বুথ সভাপতির সহ ওই ৩০ টি পরিবার তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় দলের সাংগঠনিক ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেল।” এই যোগদান নিয়ে তৃণমূলকে পাল্টা খোঁচা দিয়েছে বিজেপি। বিজেপির দাবি, তাঁদের সংগঠনে যুব মোর্চার বুথ সভাপতি বলে কোনও পদই নেই। আসলে নিজের দলের লোকেদেরই ফের পতাকা ধরিয়ে যোগদানের নাটক করেছে তৃণমূল।
বিজেপি প্রার্থী দিবাকর ঘরামি বলেন, “গোটা বাংলা তৈরি হয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে বিসর্জন দেওয়ার জন্য। তৃণমূল মিথ্যা নাটক করছে। নিজেদের লোককেই পতাকা ধরিয়ে এই নাটকের প্লট তৈরি করছে। ওরা যে মিথ্যা বলছে, তার জ্বলন্ত উদাহরণ, ওরা দাবি করছে বিজেপির যুব মোর্চাপ বুথ সভাপতির কথা, বিজেপির তো আসলে কোনও যুব মোর্চার বুথ সভাপতিই হয় না। বিজেপির সাতটা মোর্চা রয়েছে, সেটা মণ্ডল স্তর পর্যন্ত কমিটি হয়। বুথে কোনও মোর্চার কমিটি হয় না।”
এদিকে, যিনি বিজেপির যুব মোর্চার দায়িত্বে ছিলেন বলে দাবি করছেন, সেই সঞ্জয় বাগদী বলেন, “বিজেপির মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রবল। আর সেই কারণেই তৃণমূলে যোগ। বিজেপির যুব মোর্চার দায়িত্বে ছিলাম, আরগোড়ায়।”
বাঁকুড়ার সোনামুখী একসময়ে বামেদের গড় হিসাবেই পরিচিত ছিল। ২০২১ সালের নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী দিবাকর ঘরামি এই আসনে জয়লাভ করেছিলেন। এর আগে এটি বামেদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল, কিন্তু গত কয়েক বছরে এখানকার ভোটব্যাঙ্কে ব্যাপকভাবে মেরুকরণ হয়েছে। সোনামুখী-বাঁকুড়া রাস্তার উন্নয়নের মতো ইস্যুগুলোকে সামনে রেখে তারা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।
