Bankura: পুরনো জিনিস কেনার নাম করে লোক ঠকানো! বড় চক্র ধরল পুলিশ
Bankura: দিন যত যাচ্ছে ততই প্রতারণার নিত্য নতুন কৌশল যেন আবিষ্কার করছে প্রতারকেরা। কৌশলে এটিএম কার্ডের নম্বর ও সিভিভি নম্বর জেনে বা আধার এনাবেল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে জমানো টাকা হাতানোর কৌশল এখন বেশ পুরানো।

বাঁকুড়া: পুরনো জিনিসপত্র কেনাবেচার ওয়েবসাইটকে ব্যবহার করে দিনের পর দিন চলছিল লোক ঠকানোর ব্যবসা। একটি চক্র কার্যত ফাঁদ পেতে বসেছিল। সম্প্রতি বাঁকুড়ার ছাতনা থানার একটি প্রতারণার ঘটনার তদন্তে নেমে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকা থেকে ওই প্রতারণা চক্রের মূল চক্রী সহ সাত জনকে গ্রেফতার করে ছাতনা থানার পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে খোয়া যাওয়া একটি দামি চারচাকা গাড়ি ও প্রতারনার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
দিন যত যাচ্ছে ততই প্রতারণার নিত্য নতুন কৌশল যেন আবিষ্কার করছে প্রতারকেরা। কৌশলে এটিএম কার্ডের নম্বর ও সিভিভি নম্বর জেনে বা আধার এনাবেল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে জমানো টাকা হাতানোর কৌশল এখন বেশ পুরানো। এবার জিনিস কেনাবেচার ওয়েবসাইট ব্যবহার করেও সাধারণ মানুষকে প্রতারণার কৌশল রপ্ত করেছিল কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার এক প্রতারক চক্র।
সম্প্রতি ওই ওয়েবসাইটে দেওয়া পুরানো গাড়ি বিক্রির বিজ্ঞাপন দেখে প্রতারকের দল। এরপর গাড়ি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করে ফোন করে বাঁকুড়ার ছাতনা ব্লকের ঝাঁটিপাহাড়ি এলাকার ওই চারচাকা গাড়ির মালিককে। টেলিফোনে দরদাম স্থির হয়। এরপর গাড়ির মালিককেব ৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকার ডিমান্ড ড্রাফট দিয়ে গাড়ি নিয়ে চম্পট দেয় প্রতারকেরা। পরে ডিমান্ড ড্রাফট ব্যাঙ্কে জমা করতে গিয়ে গাড়ির মালিক বুঝতে পারেন ওই ডিমাণ্ড ড্রাফট আসলে ভুয়ো। প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরেই গাড়ি মালিক ছাতনা থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন।
পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকা থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের হেফাজত থেকে উদ্ধার হয় খোয়া যাওয়া দামি চারচাকা গাড়িটিও। এরপর অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ওই চক্রের আরও চার জনের সন্ধান পায় পুলিশ। এরপরই টোপ দিয়ে ওই চারজনকে গ্রেফতার করে তদন্তকারীরা। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে ওই প্রতারণা চক্রের মূল পান্ডা দক্ষিণ ২৪ পরগনার সরসুনা এলাকার বাসিন্দা নিতাই মাইতি।

