Bankura: গাছের ডগায় গিয়ে পড়ল টিনের চাল, কারোর আবার বাড়ির টিনের শেড জাতীয় সড়কে! শনিবারের বার বেলায় গ্রামে হুলুস্থুল কাণ্ড
Bankura: ঝড়ের তীব্রতায় বাঁকুড়ার লালবাজার সারদাপল্লি এলাকার একটি বাড়ির ছাদে থাকা টিনের শেড উড়ে গিয়ে পড়ে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে । টিনের শেডের আঘাতে আহত হন স্থানীয় এক ব্যক্তি। বাঁকুড়া শহরের ফাঁসিডাঙা এলাকায় একটি গুদাম ঘরের টিনের চালা উড়ে গিয়ে পড়ে পার্শ্ববর্তী একটি গাছের উপর প্রায় কুড়ি ফুট উঁচুতে।

বাঁকুড়া: ঝড়ের তীব্রতায় কোথাও উড়ে গাছের আগায় উঠল টিনের চালা, কোথাও আবার জাতীয় সড়কে উড়ে পড়ল টিনের শেড। বিদ্যুৎ ও নেট যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন এলাকা। শনিবার রাতের ঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ল বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট পরিষেবা। দীর্ঘ তাপপ্রবাহের পর শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে প্রবল ঝড় বৃষ্টি হয়। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই ছিল যে কোথাও টিনের চালা উড়ে পড়ল জাতীয় সড়কে। আবার কোথাও ঝড়ে উড়ে গাছে চড়ল টিনের শেড।
ঝড়ের তীব্রতায় বাঁকুড়ার লালবাজার সারদাপল্লি এলাকার একটি বাড়ির ছাদে থাকা টিনের শেড উড়ে গিয়ে পড়ে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে । টিনের শেডের আঘাতে আহত হন স্থানীয় এক ব্যক্তি। বাঁকুড়া শহরের ফাঁসিডাঙা এলাকায় একটি গুদাম ঘরের টিনের চালা উড়ে গিয়ে পড়ে পার্শ্ববর্তী একটি গাছের উপর প্রায় কুড়ি ফুট উঁচুতে। ঝড়ে বিভিন্ন জায়গায় গাছ ভেঙে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের তার ছিঁড়ে পড়ে। রাতভর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত। বহু জায়গায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ইন্টারনেট পরিষেবাও।
এখনও পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢোকেনি। উত্তরবঙ্গ রীতিমতো ভেসে যাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলো, বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চল পুড়ে খাক। এই পরিস্থিতিতে হঠাৎই শনিবার দুপুরের পর থেকে ঘন কালো করে আসে আকাশ। তারপরই বিকালে পর থেকে ঝড়। কয়েক মিনিটের ঝড়ে বাঁকুড়ার হাওয়া ঠান্ডা হয়েছে বটে, তবে গোটা গ্রাম লণ্ডভণ্ড।





