Hospital in Bankura: ইনজেকশন দিলেই ভয়ঙ্করভাবে কাঁপছে একের পর এক রোগী, হচ্ছেটা কী বাঁকুড়ার শালতোড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে?
Bankura: ইনজেকশন ও স্যালাইন দিলেই কাঁপছে ভর্তি থাকা রোগী, অভিযোগ পেতেই হাসপাতালে ছুটে গিয়ে হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলাতির অভিযোগ তুলে সরব বিধায়ক চন্দনা বাউরি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাপানউতোর স্বাস্থ্য মহলের অন্দরেও।

বাঁকুড়া: ইনজেকশন ও স্যালাইন দিলেই ভয়ঙ্করভাবে কাঁপছে হাসপাতালে ভর্তি থাকা জ্বরের রোগীরা। এমন অভিযোগ পেতেই হাসপাতালে ছুটে গিয়ে স্যালাইন সংক্রান্ত বিভিন্ন বেনিয়মের অভিযোগে সরব হলেন বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার রাজনৈতিক মহলেও চাপানউতোর শুরু হয়েছে। চাপানউতোর চলছে স্বাস্থ্য মহলের অন্দরে।
বাঁকুড়ার শালতোড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি রয়েছেন জ্বরে আক্রান্ত বেশ কয়েকজন রোগী। এদিন সকালে শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরির কাছে টেলিফোন করে রোগীর আত্মীয়রা জানান রোগীদের ইঞ্জেকশন দিলেই রোগীরা অস্বাভাবিক রকমের কাঁপছে। অভিযোগ পেতেই ওই হাসপাতালে ছুটে যান শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরি। হাসপাতাল ঘুরে দেখার পাশাপাশি হাসপাতালের স্টোর রুমে মজুত থাকা স্যালাইন, ইঞ্জেকশন ও ওষুধগুলিও খতিয়ে দেখেন বিধায়ক। কথা বলেন হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মী থেকে চিকিৎসকদের সঙ্গেও। পরে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এসে তাঁর অভিযোগ হাসপাতালের চিকিৎসক রোগীদের এন এস স্যালাইন দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিকে হাসপাতালের স্টোর রুমে যথেষ্ট সংখ্যক এন এস স্যালাইন মজুত রয়েছে। অভিযোগ, চ নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের আর এল গোত্রের স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি জানার পরই হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা বিএমওএইচ-কে তিনি টেলিফোনে তলব করেন। যদিও বিধায়কের দাবি দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পরেও হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা বিএমওএইচ হাসপাতালে আসেননি। বিষয়টি নিয়ে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককেও অভিযোগ জানিয়েছেন বিধায়ক চন্দনা বাউরি। এখন দেখার এ ঘটনায় স্বাস্থ্য দফতরের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয় কিনা।
