BJP Joining: বীরভূমে উলটপুরাণ, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে একাধিক সংখ্যালঘু পরিবার
West Bengal assembly election 2026: এই যোগদান নিয়ে কটাক্ষ করল রাজ্যের শাসকদল। এ বিষয়ে লাভপুর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ সিনহা বলেন, "চার থেকে পাঁচ জন ছিল, কিছু ভুল বুঝিয়ে তাদের বিজেপিতে নিয়ে এসেছে। সংখ্যালঘু মানুষদের মোদী সরকার ও নির্বাচন কমিশন অত্যাচার, মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে। বেছে বেছে মুসলিমদের টার্গেট করে ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করেছে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন।"

লাভপুর: তাঁরা ভারতের মুসলিমদের বিরোধী নন। অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের শুধু বিরোধিতা করেন। গত কয়েকমাস ধরে এই বার্তাই দিচ্ছেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। একসময় বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, তাঁরা মুসলিমদের ভোট পান না। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদের কাছে বিজেপিকে ভোটদানের আবেদন জানাচ্ছেন পদ্মশিবিরের নেতারা। এই পরিস্থিতিতে বীরভূমের লাভপুরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন বেশ কয়েকটি সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যরা। যদিও তৃণমূলের কটাক্ষ, চার-পাঁচজনকে ভুল বুঝিয়ে বিজেপিতে যোগদান করানো হয়েছে।
বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণের প্রাক্কালে দলবদল লাভপুরে। সোমবার লাভপুর বিধানসভার দাঁড়কা অঞ্চলের প্রায় ৪০টি সংখ্যালঘু পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করল। লাভপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ওঝার হাত থেকে বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে নেন সংখ্যালঘু মানুষরা। এ বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী দেবাশিষ ওঝা বলেন, “সংখ্যালঘুদের তৃণমূল ভুল বুঝিয়ে রেখে দিয়েছিল। তাঁদের ধোঁকা দিয়েছে। গাঁজার মামলা-সহ নানা মামলা দিয়ে ভয় দেখিয়ে রেখেছিল। এখন সংখ্যালঘু মানুষরা সব বুঝতে পারছেন। বিজেপি যে তাঁদের শত্রু নয়, তা উপলব্ধি করতে পেরেছেন। আর সেজন্যই তৃণমূল ছেড়ে এদিন তাঁরা বিজেপিতে যোগদান করেছেন।” এদিন নির্বাচনী প্রচারের সময়ই সংখ্যালঘু পরিবারগুলির সদস্যরা বিজেপিতে যোগদান করেন।
যদিও এই যোগদান নিয়ে কটাক্ষ করল রাজ্যের শাসকদল। এ বিষয়ে লাভপুর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ সিনহা বলেন, “চার থেকে পাঁচ জন ছিল, কিছু ভুল বুঝিয়ে তাদের বিজেপিতে নিয়ে এসেছে। সংখ্যালঘু মানুষদের মোদী সরকার ও নির্বাচন কমিশন অত্যাচার, মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে। বেছে বেছে মুসলিমদের টার্গেট করে ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করেছে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন।”
