AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

BJP in Bengal: অনুমতি দেয়নি পুলিশ, হাইকোর্টের ছাড়পত্রে কোচবিহারে হচ্ছে মিঠুনের পরিবর্তন সভা

BJP Leader Mithun: এর আগেও মেখলিগঞ্জে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভার ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক অনুমতি মেলেনি। সে ক্ষেত্রেও শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল। আদালতের নির্দেশেই শেষ পর্যন্ত সভা হয়েছিল। প্রশাসনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন।

BJP in Bengal: অনুমতি দেয়নি পুলিশ, হাইকোর্টের ছাড়পত্রে কোচবিহারে হচ্ছে মিঠুনের পরিবর্তন সভা
মিঠুন চক্রবর্তীImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 01, 2026 | 5:36 PM
Share

কোচবিহার: ভোটের দামামা বাজতেই কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছেন পদ্ম নেতারা। এদিকে কোচবিহারে সভা করার কথা ছিল বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীর। কিন্তু সেই সভার অনুমতি দেয়নি কোচবিহারের পুলিশ। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিস্তর চাপানউতোর হয়েছিল। তোপের পর তোপ দেগেছিলেন জেলার বিজেপি নেতারা। শেষ পর্যন্ত আয়োজকদের তরফে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। তাতেই মেলে সভার অনুমতি। অবশেষে ২ জানুয়ারি কোচবিহারের পুরাতন পোস্ট অফিস পড়ার মাঠে হচ্ছে মিঠুনের ‘পরিবর্তন’ সভা। তাতেই উচ্ছ্বসিত পদ্ম কর্মীরা। 

বৃহস্পতিবার কোচবিহারে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করতে দেখা যায় জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন। সেখানেই তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে বিজেপির কর্মসূচিতে অনুমতি দিচ্ছে না। তাঁর দাবি, এটা তৃণমূল ও পুলিশ প্রশাসনের চক্রান্ত। পুলিশ নিরপেক্ষতা বজায় রাখছে না বলেও দাবি করেন তিনি। এরইমধ্যে শোনা যায় হাইকোর্টেই শেষ পর্যন্ত কেটেছে জট। 

উল্লেখ্য, এর আগেও মেখলিগঞ্জে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভার ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক অনুমতি মেলেনি। সে ক্ষেত্রেও শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল। আদালতের নির্দেশেই শেষ পর্যন্ত সভা হয়েছিল। প্রশাসনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন বলছেন, “কোচবহিারে প্রশাসন বলে কিছু আছে বলে মনে হয় না। বিজেপিকে আটকানোর জন্য ওরা বিভিন্নভাবে প্রচেষ্টা করছে। পুলিশ তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে। এখানে আইন-শৃঙ্খলা বলে যে কিছু নেই সেটা মহামান্য হাইকোর্ট প্রমাণ করে দিয়েছে। ২০২৬ সালে যখন তৃণমূলের বিসর্জন হবে তখন এই পুলিশ কোথায় থাকবে?”