AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR in Bengal: বাড়ির চার সদস্যের নামে এসেছে SIR এর নোটিস, তাতেই উদ্বেগে চরম সিদ্ধান্ত নিলেন দিনহাটার বৃদ্ধ

Dinhata: বশিরউদ্দিন মিঁয়ার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ সবটা হয়েছে এসআইআরের শুনানির জন্য। তাঁরা বলছেন, তাঁরা সকলেই পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁদের সকলের নামেই শুনানি নোটিশ আসায় বিগত কয়েকদিন ধরেই তীব্র আতঙ্কে ছিলেন বশির।

SIR in Bengal: বাড়ির চার সদস্যের নামে এসেছে SIR এর নোটিস, তাতেই উদ্বেগে চরম সিদ্ধান্ত নিলেন দিনহাটার বৃদ্ধ
উদ্বেগে গোটা পরিবার Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 20, 2026 | 7:36 PM
Share

দিনহাটা: পরিবারের চার সদস্যের নামে এসেছে SIR শুনানির নোটিশ। আগামী ২২ তারিখ রয়েছে শুনানির ডেট। তা নিয়েই বেশ কয়েকদিন ধরে আতঙ্ক দানা বাঁধছিল মনে। সেই আতঙ্কের মধ্যেই বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা এক বৃদ্ধের। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ব্যাপক চাঞ্চল্য দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের নয়ারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের নান্দিনা এলাকায়।  

বশিরউদ্দিন মিঁয়া নামের ওই বৃদ্ধকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এদিন সকালেই পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। চিকিৎসা শুরু হলেও দ্রুত তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হতে থাকে। সে কারণেই শেষ পর্যন্ত তাঁকে কোচবিহার এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

বশিরউদ্দিন মিঁয়ার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ সবটা হয়েছে এসআইআরের শুনানির জন্য। তাঁরা বলছেন, তাঁরা সকলেই পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁদের সকলের নামেই শুনানি নোটিশ আসায় বিগত কয়েকদিন ধরেই তীব্র আতঙ্কে ছিলেন বশির। যদিও তার পরিণাম যে এই হবে তা কেউই টের পাননি। কেন এবং কী কারণে এই শুনানির নোটিশ এল, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়ে যান ওই বৃদ্ধ। পরিবারের অভিযোগ, সেই আতঙ্ক থেকেই আজ সকালে তিনি বিষ পান করে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

অপরদিকে এই গোটা ঘটনায় নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। বর্তমানে ওই বৃদ্ধের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। একের পর এক এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে যে মানসিক চাপ, আতঙ্কের সৃষ্টি হচ্ছে বলেই মত তাঁর।

মন্ত্রী বলেন, গোটা রাজ্যে যে সমস্ত মানুষ এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যা করেছে বা আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। প্রত্যেকটি ঘটনার জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশন। পুলিশের উচিত কমিশনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যা এবং আত্মহত্যার প্ররোচনার দেওয়ার অভিযোগে মামলা করা।