
শিলিগুড়ি: দুপুর থেকেই রাস্তায় নেমেছে মানুষের ঢল। সকলেই প্রতিমা দর্শনে ব্যস্ত। কারণ আবহাওয়া দফতর থেকে আগেই পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছিল। প্রথম সপ্তমীতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল উত্তর ও দক্ষিণ- দুই বঙ্গেই। সপ্তমীর সন্ধ্যায় শহরের রাস্তায় তিল ধারণের জায়গা নেই। পাছে বৃষ্টি না চলে আসে। সন্ধ্যায় হঠাৎই হাজির ‘অসুর’ বৃষ্টি। মুহুর্তে ফাঁকা রাস্তা। বহু মণ্ডপে দুর্ঘটনা এড়াতে নিভল লাইট। ক্লাবগুলির দাবি, হিটে প্রচন্ড তপ্ত আলোগুলিতে বৃষ্টির জল লাগছে। তাই শর্টসার্কিটের আশঙ্কা এড়াতেই নিভল আলো। যেসব মন্ডপ খোলা মন্ডপ সেখানেও প্রবল সমস্যায় ক্লাবগুলি।
এক ক্লাব কর্তৃপক্ষ বলেন, “আসলে মণ্ডপসজ্জায় অনেক হাইভোল্টেজের লাইন লাগানো হয়েছে। লাইট এমনিতেই হিট হয়ে থাকছে। এর মধ্যে জল পড়লে শর্ট সার্কিট হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এদিকে প্যান্ডেলে দর্শনার্থীরা এসেছেন। যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে তার জন্য আলো নিভাতে বাধ্য হচ্ছি।”
প্যান্ডেলে আগত এক দর্শনার্থী বললেন, “সবাই পুজোর এ কটা দিন ঠাকুর দেখতে বের হন। কারই বা ঘরে বসে থাকতে ভালো লাগে। আর প্যান্ডেলের আলোকসজ্জাই তো প্রধান আকর্ষণ। কিন্তু দুর্ঘটনা এড়াতে আলো বন্ধ রাখা হলে তো সত্যিই কিছু বলার নেই।”
আলিপুর আবহাওয়া দফতর পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছিল, প্রথম সপ্তমী পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে। তবে দ্বিতীয় সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত দক্ষিণ বঙ্গে আর কোনও বৃষ্টি নেই। দ্বিতীয় সপ্তমীতে উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অষ্টমী থেকে একাদশী পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ থাকবে ড্রাই ডে!