HS Student Death : ভাল হয়নি পরীক্ষা, বাড়ি ফিরেই চরম সিদ্ধান্ত! মর্মান্তিক পরিণতি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর
HS Student Death : পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে গিয়েছিল তৃষাণজিৎ। তারপর বাড়ি ফিরে আসে। ভাল করে খাওয়া-দাওয়া করেনি। ঘরেই শুয়ে ছিল। তারপরই পরিবারের নজরে আসে ঘরে ঝুলছে তৃষাণজিতের দেহ।

পশ্চিম মেদিনীপুর: উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। মৃত পরীক্ষার্থীর নাম তৃষাণজিৎ চন্দ (১৮)। পরিবারের দাবি, পরীক্ষা ভাল না হওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল তৃষাণজিৎ। তারপরই চরম সিদ্ধান্ত নেয়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের নয়াবসত এলাকার ঘটনা। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে গিয়েছিল তৃষাণজিৎ। তারপর বাড়ি ফিরে আসে। ভাল করে খাওয়া-দাওয়া করেনি। ঘরেই শুয়েছিল।
তারপরই পরিবারের নজরে আসে ঘরে ঝুলছে তৃষাণজিতের দেহ। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় চন্দ্রকোনা রোড বিট হাউসের পুলিশকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরীক্ষার্থীকে উদ্ধার করে দ্বারিয়েগেড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
কেন এই চরম সিদ্ধান্ত তৃষাণজিতের? পরিবার সূত্রে খবর, উচ্চমাধ্যমিকের দুটি পেপারের পরীক্ষা খুব একটা ভাল হয়নি। বেশ কয়েকদিন ধরেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল ওই পরীক্ষার্থী। ভাল করে খাওয়া-দাওয়া করছিল না। মৃতের দাদা বলেন, “দু-একটা পরীক্ষা খারাপ হয়েছিল। ডিপ্রেশনেও ভুগছিল। মাকে-বাবাকে বলেছিল পরীক্ষা মোটামুটি হয়েছে। খুলে বলতে পারেনি যে পরীক্ষা ভাল হয়নি। কালকেও পরীক্ষা দিতে গিয়েছিল। তারপর হালকা খাওয়া-দাওয়াও করেছিল। বন্ধুদের বলেছিল যে পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। কিন্তু, বাড়ির কাউকে বলতে পারেনি। বাড়িতে কেউ বকাবকিও করেনি। কাউকে যদি বলত, তাহলে হয়তো এমন ঘটনা ঘটত না।”
ছেলেকে হারিয়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে । ইতিমধ্যেই পরীক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে । তদন্ত করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
