Suvendu on Tarakeswar: তারকেশ্বর নিয়ে প্রাক্তন সরকার একচোখ বন্ধ করে রাখত: শুভেন্দু
Tarakeswar news: শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "বিগত সরকারের চোখ বন্ধ ছিল। তারা তোষণে ব্যস্ত ছিল। এবারের শ্রাবণী মেলা মধুময় ও সুখকর হবে। ৬৫ দিনে যে টুকু ফাঁক ফোকড় রয়ে গেল, আগামী দিনে সবটা পূরণ করব। আমি যোগীকে দেখে অনুপ্রাণিত।"

কলকাতা: তারকেশ্বরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শ্রাবণী মেলার উদ্বোধনে সেখানে গিয়েছেন তিনি। একাধিক প্রতিশ্রুতি মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। ঠিক তেমনই পূর্বতন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকেও তোষণ নিয়ে আক্রমণ তাঁর। কী কী বললেন শুভেন্দু?
এক নজরে সবটা দেখুন…
শুভেন্দু অধিকারী: রাজ্যে যে সরকার তৈরি হয়েছে, এই সরকার রাষ্ট্রবাদ দেশপ্রেম, আদি অনন্ত কাল ধরে যে সংস্কৃতি-ঐতিহ্য সম্মান মর্যাদা দিয়ে এগোবে।
শুভেন্দু অধিকারী: তারকেশ্বর ধাম অবহেলিত ছিল। বিগত সরকার একচোখ বন্ধ করে রাখত। জমিদার প্রথা উঠে গেছে। এখন লোকধর্ম পালন করতে হয়। আর সেই কাজে কোনও সরকারের দুটো চোখ খুলে রাখা উচিত। পুণ্যার্থীরা জল সংগ্রহ করে ৩০ কিমি পায়ে হেঁটে রোদ-বৃষ্টির মধ্যে তাঁরা এখানে আসেন। সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা মিনিমাম ছিল। গোটা কয়েক সিভিক ভলেন্টায়ারকে দাঁড় করিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে দায়িত্ব মুক্ত করত।
শুভেন্দু অধিকারী: আমাদের সরকার জগন্নাথ দেবের রথযাত্রাকেও বর্ণময় করেছি। একই ভাবে তারকেশ্বরের পুণ্যধাম নিয়ে উদ্যোগ নিয়েছি। সরকারি সেবা কেন্দ্র থাকবে। জল ওয়ারেসের মতো স্বাস্থ্য পরিষেবা থাকবে। প্রশাসন ও পুলিশ পুণ্যার্থীদের জন্য যানজট নিয়ন্ত্রণ করবে।
শুভেন্দু অধিকারী: আমায় বাবা মহাদেবের একদম পবিত্র জায়গায় প্রথা মেনে পুজো করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। আমি সেদিন মাথায় ঠেকিয়েছিলাম। ওইদিন আমি তারকেশ্বর উন্নয়ন অথারিটি, অতিরিক্ত জেলা শাসককে দায়িত্ব দিয়েছি এখানকার উন্নয়নের জন্য। আগামীতে শ্রাবণী মেলাকে জাতীয় মেলার রূপ দেওয়ার চেষ্টা করব। আগামী দিনে আমার আস্থা তারকেশ্বর এমন ভাবে সেজে উঠবে যে পর্যটন কেন্দ্র হবে। বিদেশিরাও আসবেন। ঠিক যেমন পুরী, কাশী-বিশ্বনাথ সেজে উঠেছে, সেভাবে তারকেশ্বরও সেজে উঠেবে।
শুভেন্দু অধিকারী: বিগত সরকারের চোখ বন্ধ ছিল। তারা তোষণে ব্যস্ত ছিল। এবারের শ্রাবণী মেলা মধুময় ও সুখকর হবে। ৬৫ দিনে যে টুকু ফাঁক ফোকড় রয়ে গেল, আগামী দিনে সবটা পূরণ করব। আমি যোগীকে দেখে অনুপ্রাণিত। সেখানেও তো জলযাত্রীদের পুষ্পবৃষ্টি করে, এখানেও যদি আবহাওয়া ভাল থাকে তাহলে পুষ্পবৃষ্টি হবে। বর্তমান সরকার তীর্থক্ষেত্র সার্কিট করা হবে। তার জন্য আগামী ২ বছর ১ হাজার কোটি টাকা বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে।
