CPM leader assault allegation: ‘নো এন্ট্রি’তে ঢুকতে গিয়ে বচসা! সিপিএম নেতাকে হেনস্থার অভিযোগ
Khanakul police harassment row: তাঁকে টেনে হিঁচড়ে থানায় ঢোকানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকি তাঁর মোবাইল ভেঙে দেওয়া হয়। তাঁকে বেশ কিছুক্ষণ থানায় বসিয়ে রেখে পর ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর দলের পার্টিঅফিসের সামনে গিয়ে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত তৃণমূল নেতারাও তাঁকে মারধর করেছে। যদিও ঘটনার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

হুগলি: খানাকুলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা ছিল। সভার জন্য নো-এন্ট্রি থাকা রাস্তায় ঢুকে পড়েছিলেন। সেই অভিযোগে সিপিএম নেতাকে পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ উঠল। কলার ধরে টানতে টানতে তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। বিপ্লব মৈত্র নামে ওই সিপিএম নেতা ২০২৪ সালে আরামবাগ লোকসভার সিপিএম প্রার্থী ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি পার্টিঅফিসে যাওয়ার জন্য নো-এন্ট্রি থাকা রাস্তায় ঢুকতে গিয়েছিলেন। তখন পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। প্রমাণ হিসাবে সেই সময় সিপিএম নেতা মোবাইলে ভিডিয়ো করতে গেলে তাঁর ফোন কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
তাঁকে টেনে হিঁচড়ে থানায় ঢোকানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকি তাঁর মোবাইল ভেঙে দেওয়া হয়। তাঁকে বেশ কিছুক্ষণ থানায় বসিয়ে রেখে পর ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর দলের পার্টিঅফিসের সামনে গিয়ে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত তৃণমূল নেতারাও তাঁকে মারধর করেছে। যদিও ঘটনার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
সিপিএম নেতা বিপ্লব মৈত্রের দাবি, “আমি পুলিশকে শুধু জিজ্ঞাসা করেছিলাম, সব দিকে নো এন্ট্রি করা রয়েছে, কোন দিক থেকে যাব? আমাকে বলল, বাইক রেখে চলে যান। যখন এরকম ব্যবহার করছিলেন, তখন লাইভ করছিলাম। পুলিশ ছুটে এসে আমার ফোনটা কেড়ে ভেঙে দিলেন। তৃণমূলের লোক ইনসিস্ট করেছিল। তৃণমূল ও পুলিশ দুজনেই মারতে শুরু করল।”
খানাকুলের তৃণমূল নেতা অভিজিৎ বাগ বলেন, “ওনার হঠাৎ মনে হয়েছে, প্রচারে আসতে গেলে পুলিশের সঙ্গে গন্ডগোল করতে হবে। যারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করছে, তারা ভদ্রভাবে বলেছেন। এখন নিজে প্রচারে থাকতে এসব বলছেন। পুলিশের সঙ্গেই উনি অভব্য আচরণ করেন।” পুলিশের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
