AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hooghly: ওড়িশায় বাংলার পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ, অভিষেকের দ্বারস্থ হতে চায় পরিবার

Migrant labourer allegedly beaten: মাস আটেক আগে ওড়িশার কটকে পাথর মিস্ত্রি হিসেবে কাজে যান গোঘাটের ভাদুর পঞ্চায়েতের বিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজা আলি। বাংলা বলায় এর আগেও তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। তারপর থেকে কার্যত লুকিয়েই কাজ করতেন। যে ঘরে ভাড়া থাকতেন, সেখানে ঝামেলা এড়াতে দরজা বাইরে থেকে তালা দিয়ে দিতেন বাড়ির মালিক। বুধবার ১০-১২ জন মিলে তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে এই কাণ্ড ঘটায় বলে অভিযোগ।

| Edited By: | Updated on: Jan 11, 2026 | 2:10 PM
Share

গোঘাট: ফের বিজেপি শাসিত ওড়িশায় বাংলার পরিযায়ী শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ। আক্রান্ত পরিযায়ী শ্রমিকের নাম রাজা আলি। বাড়ি হুগলির গোঘাটে। এমনকি, তাঁর রোজগারের ৫০ হাজার টাকা কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আতঙ্কে রাতারাতি লুকিয়ে সেরাজ্য ছেড়ে পালিয়ে আসেন গোঘাটের ওই যুবক। এরপর থেকেই আতঙ্কে রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ছেলের উপর নির্যাতনের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন পরিযায়ী শ্রমিকের অসুস্থ বাবা। ছেলের রোজগারেই চলত সংসার। উপার্জনের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ায় এখন সংসার চলবে কীভাবে, তা ভেবেই দিশাহারা পরিবার।

জানা গিয়েছে, মাস আটেক আগে ওড়িশার কটকে পাথর মিস্ত্রি হিসেবে কাজে যান গোঘাটের ভাদুর পঞ্চায়েতের বিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজা আলি। বাংলা বলায় এর আগেও তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। তারপর থেকে কার্যত লুকিয়েই কাজ করতেন। যে ঘরে ভাড়া থাকতেন, সেখানে ঝামেলা এড়াতে দরজা বাইরে থেকে তালা দিয়ে দিতেন বাড়ির মালিক। বুধবার ১০-১২ জন মিলে তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে এই কাণ্ড ঘটায় বলে অভিযোগ। তারা সকলেই বিজেপি কর্মী বলে আক্রান্তের দাবি।

রাজা বলেন, “আমাকে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা কেড়ে নেয়। তারপর জয় শ্রীরাম বলতে বাধ্য করে।” ছেলের আক্রান্ত হওয়ার কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন শেখ মইনুদ্দিন। ছেলের রোজগারে সংসার চলে তাঁদের। এখন কী হবে, সেই ভেবে কূলকিনারা খুঁজে পাচ্ছেন না তাঁরা। আগামী ২২ জানুয়ারি হুগলি সফরে আসছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে দেখা করে তাঁদের অসহায় অবস্থার কথা তুলে ধরতে চান পরিবারের সদস্যরা।

রাজা আলির গ্রামে প্রায় ১৭০টি পরিবার বসবাস করে। তাঁদের বেশিরভাগই ভিনরাজ্যে কর্মরত। এই ঘটনার পর সকলেই আতঙ্কিত। এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এনিয়ে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণের পাশাপাশি আক্রান্তের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুশান্ত বেরা বলেন, “সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা কথা। এখানে এসে বাজার গরম করছে। ওখানে যদি বাংলাদেশের স্লোগান জয় বাংলা, জয় বাংলা বলে, সেখানকার লোক সহ্য করবে। ওখানে কয়েক লক্ষ বাঙালি থাকেন। কাউকে কিছু করল না, ওকে মারধর করবে?”