AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Madhyamik Results: ব্ল্যাকবোর্ড রঙ করার টাকাও নেই! তবু সরকারি স্কুলেই পড়িয়েছেন মেয়েকে, মাধ্যমিকে ষষ্ঠ সোহিনী

Madhyamik Merit List 2026: এখন অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীই যেখানে বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছে, সেখানে শিক্ষক হিসাবে তিনি বলেন, "সরকারি হোক বা বেসরকারি, পড়াশোনা কিছুটা নিজের উপরে নির্ভর করে। যে স্কুলে পড়ুক, আমাদের সরকারি স্কুল খারাপ নয়, আবার ইংরেজি মাধ্যম যে খারাপ, তা বলব না।"

Madhyamik Results: ব্ল্যাকবোর্ড রঙ করার টাকাও নেই! তবু সরকারি স্কুলেই পড়িয়েছেন মেয়েকে, মাধ্যমিকে ষষ্ঠ সোহিনী
মা-বাবার সঙ্গে সোহিনী।Image Credit: TV9 বাংলা
| Edited By: | Updated on: May 08, 2026 | 11:37 AM
Share

হুগলি: প্রকাশিত হল মাধ্যমিকের ফলাফল। মেধাতালিকা জুড়ে জেলার জয়জয়কার। কৃতিদের তালিকায় প্রথম দশে নাম নেই কলকাতার। এবছর পাশের হার ৮৬.৮৩ শতাংশ। পাশের হারে এগিয়ে কালিম্পং। তারপরেই রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। প্রথম দশে রয়েছেন ১৩১ জন পড়ুয়া। এদের মধ্যে অনেকেই সরকারি স্কুলে পড়াশোনা করেছে।

বর্তমান সময়ে যেখানে মা-বাবারা সরকারি স্কুল থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন, সন্তানদের বেসরকারি স্কুলেই ভর্তি করতে চান, সেখানে এই সরকারি স্কুলে পড়েই কিন্তু মাধ্যমিকের ফলাফলে তাক লাগিয়েছে মেধাবী পড়ুয়ারা। এই যেমন সোহিনী। এ বছর মাধ্যমিকে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করেছে সোহিনী কোলে। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। হুগলির পাড়াম্বুয়া জগদ্ধাত্রী হাইস্কুলের পড়াশোনা করেছে সে। নিট(NEET)-র প্রস্তুতি নিচ্ছে সোহিনী। বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন তাঁর।

মাধ্যমিকের রেজাল্ট প্রকাশের পর সোহিনী বলে, “খুবই ভালো লাগছে। এতটা এক্সপেক্ট করিনি। কোনও রুটিন ছিল না আমার। যখন মনে হত, পড়তাম। র‌্যাঙ্ক করব, এটা তো প্রথমে কেউ এক্সপেক্ট করতে পারে না। তবে ভালো রেজাল্ট করব আশা করেছিলাম। আরও ভালো হতে পারত। ইচ্ছা ছিল ভালো করব। স্কুল প্রচুর সাপোর্ট করেছে। টিউশনের শিক্ষকরা অনেক সাহায্য করেছেন।”

যে স্কুলে সোহিনী পড়ে, সেই পাড়াম্বুয়া জগদ্ধাত্রী হাইস্কুলেরই অঙ্কের শিক্ষক সোহিনীর বাবা। তাঁর মা পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষিকা। যখন তাঁর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়, টিভি৯ বাংলাকে গোঁরাচাদবাবু বলেন, “খুবই আনন্দ লাগছে। ও তো অনেক পরিশ্রম করেছিল, তার ফল পেয়েছে বলে ভালো লাগছে। গ্রামের অনেক ভিতরে স্কুল, স্কুলের সব শিক্ষক ও ওঁর মায়ের ইচ্ছা ছিল যে র‌্যাঙ্ক। ও সাফল্য পেয়েছে, আমরা সবাই খুশি।”

এখন অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীই যেখানে বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছে, সেখানে শিক্ষক হিসাবে তিনি বলেন, “সরকারি হোক বা বেসরকারি, পড়াশোনা কিছুটা নিজের উপরে নির্ভর করে। যে স্কুলে পড়ুক, আমাদের সরকারি স্কুল খারাপ নয়, আবার ইংরেজি মাধ্যম যে খারাপ, তা বলব না। আমাদের বাংলা মিডিয়ামে সিলেবাস যথেষ্ট ভালো, ঠিকঠাকভাবে পড়াশোনা করলে ভালো রেজাল্ট হবেই। আমাদের বাংলা মিডিয়ামের শিক্ষকদের দক্ষতা অনেক। একটু পরিকল্পনার অভাব রয়েছে।”

সোহিনীর মা শম্পা দাস বলেন, “আমার মেয়েকে কোনওদিন প্রাইভেট স্কুলে পড়াইনি। সরকারি, বেসরকারি স্কুলের বিষয় নয়, আসলে যে পড়বে, তার উপরে নির্ভর করে। তবে পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে অনেক। আমাদের স্কুলে বসার মতো বেঞ্চ নেই। পাখা, আলো নেই। ব্ল্যাকবোর্ডের এমন অবস্থা, পডুয়ারা দেখতে পায় না লেখা। ব্ল্যাকবোর্ড কালো রঙ করার মতো টাকাও নেই।

মাধ্যমিকের রেজাল্ট দেখে নিন এক ক্লিকে-

Follow Us