Tapan Dasgupta: মমতার সঙ্গে ৪০ বছরের সম্পর্ক, শেষমেশ হাত ছাড়লেন এই প্রাক্তন মন্ত্রীও
Hooghly: সপ্তগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী ছিলেন। প্রায় চল্লিশ বছর রাজনীতি করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর চল্লিশ বছরের সম্পর্ক। তিন বারের বিধায়ক,দু ই বারের মন্ত্রী হয়েছেন তৃণমূল জমানায়।

হুগলি: সব পাল্টেছে। ক্ষমতা হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এখন তিনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। আর ক্ষমতা যেতেই একে একে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভরসার সঙ্গীরা মুখ খুলেছেন। কেউ আবার তাঁর সঙ্গ ছেড়েছেন। সেই তালিকায় যোগ হলেন আরও একজন। এবার তৃণমূল ছাড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত।
সপ্তগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী ছিলেন। প্রায় চল্লিশ বছর রাজনীতি করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর চল্লিশ বছরের সম্পর্ক। তিন বারের বিধায়ক, দু’বারের মন্ত্রী হয়েছেন তৃণমূল জমানায়। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি, ফুরফুরা শরিফ উন্নয়ন অথরিটি, পশুপালন দফতর, ফরেস্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। লড়াকু তপন হুগলি জেলা তৃণমূল সভাপতি থাকাকালীন তৃণমূলকে সাজিয়েছেন মনের মত করে। তাঁর অনুগামী এখনও আছে জেলার সব ব্লকে।
যদিও, এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে টিকিট দেয়নি দল। সেই থেকে অভিমান ছিল।তবে দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। এর মধ্যে রাজনীতিতে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী অসিত মজুমদারকে হুগলি শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি করে তৃণমূল। ফলে ক্ষোভ যে আরও চরমে থাকবে তা বলার অপেক্ষা নয়।
তবে, তপন দাশগুপ্ত রাজনীতি ছাড়ছেন না। সক্রিয় ভাবে রাজনীতিতে থাকছেন। তিনি বলেন, “তৃণমূলের কংগ্রেসের প্রথম দিন থেকে ছিলাম। প্রথম যে পাঁচজন ছিলেন তাঁর মধ্যে অন্যতম আমি। এত দিন ধরে দায়িত্ব সামলাচ্ছি। তারপর দেখলাম এখন সরিয়ে দিয়েছে আমায়। কী হল হুগলিতে তৃণমূল নেই শুধু ধনিয়াখালি আর চণ্ডীতলা বাদে। এখন তৃণমূল ভেঙে গেছে। মানুষের আস্থা বিশ্বাস হারিয়েছি। আবার দেখছি ছোট্ট তৃণমূল কংগ্রেস হয়ে গিয়েছে। রাজনীতি যখন ব্যবসায় পরিণত হয় তখন সেই দলের এই হাল হয়।” পরবর্তীতে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
