Martyrs’ Day at Tin Bigha: তিন বিঘায় শহিদ দিবস পালন বিজেপির, ‘চাকরি শুধু সময়ের অপেক্ষা’, বলছেন খোদ বিধায়ক
BJP observes Martyrs' Day at Tin Bigha: দীর্ঘ ১১ বছরের আন্দোলনে ৩ জন শহিদ হন। প্রাণ যায় সুধীর রায়, ক্ষিতেন অধিকারী এবং জিতেন রায়ের। শহিদদের সেই আত্মত্যাগের কথা মনে করতেই প্রতি বছর ২৬ জুনকে শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে বিজেপি-সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলেরা।

জলপাইগুড়ি: সরকারি চাকরির সম্ভাবনা তৈরি হতেই আশার আলো দেখতে শুরু করেছিল শহিদ পরিবারগুলি। প্রতি বছরের মতো এবারও তিন বিঘায় শহিদ দিবস পালন করল বিজেপি। অংশ নিল এলাকার অনেক সাধারণ মানুষও। চাকরিও পাবে ৩ শহিদের পরিবার। স্পষ্ট জানালেন বিধায়ক। ১৯৮১ সালে মেখলিগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় তিন বিঘা আন্দোলন শুরু হয়। জমি হস্তান্তরের প্রতিবাদে প্রায় ১১ বছর ধরে আন্দোলন চলে। শেষ পর্যন্ত ১৯৯২ সালে ২৬ জুন তিন বিঘা করিডর হস্তান্তর হয়।
দীর্ঘ ১১ বছরের আন্দোলনে ৩ জন শহিদ হন। প্রাণ যায় সুধীর রায়, ক্ষিতেন অধিকারী এবং জিতেন রায়ের। শহিদদের সেই আত্মত্যাগের কথা মনে করতেই প্রতি বছর ২৬ জুনকে শহিদ দিবস হিসাবে পালন করে বিজেপি-সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলেরা। ভিড়ও হয়েছিল ভালোই।
এদিন শহিদ বেদীতে মাল্যদান করেন মেখলিগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক দধিরাম রায়-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারা। ছিলেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা। বিজেপির পাশাপাশি ফরোয়ার্ড ব্লক এবং SUCI এর তরফেও শহিদ দিবস পালন করা হয়। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে এলাকার বিধায়ক বলেন, এখন নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণা মোতাবেক শহিদদের পরিবার পিছু একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। এদের কাগজপত্র সব দাখিল করা হয়েছে। চাকরি পাওয়া সময়ের অপেক্ষা মাত্র। শহিদের পুত্র ভূপেন রায় বলছেন, “সরকার আমাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। এলাকার বিধায়কও আমাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। কীভাবে কী করতে হবে সব বলছেন। আশা করি এবার কোনও একটা ফল পাওয়া যাবে।”
