Mamata Banerjee: ২০ লক্ষ ৮১ হাজার কাস্ট সার্টিফিকেট। যদি কেউ আদিবাসীদের নাম নিয়ে সার্টিফিকেট করেন, যদি দেখা যায় সেটা জাল, তাহলে মানব না। কয়েকজন BLRO দুষ্টুমি করে গিয়েছেন, সেগুলো আমাদের দেখতে হবে।
ঝড়াগ্রাম: জঙ্গলমহল সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় নেতাদের বিঁধে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচন এলে দিল্লির বাবুরা আসে।” প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফরের আগের দিনই কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। lতিনি বললেন, “দিল্লির বাবুরা বাংলাকে ভালো বাসে না। বাংলার মানুষের ওপর অত্যাচার করেন।” নাম না করে বহিরাগত তত্ত্বে শান মমতার। মুখ্যমন্ত্রী কী কী বললেন, দেখুন এক নজরে….
KEY HIGHLIGHTS
ফুটবল অ্যাকাডেমি হবে। পুরুলিয়াতে আমাদের ছৌ অ্যাকাডেমি আছে। আপনারা জানেন, আমরা আদিবাসী ডিপার্টমেন্ট উন্নয়ন দফতর নতুন করে তৈরি করেছি। কলকাতায় নতুন দফতর হয়েছে। আদিবাসীদের জমি হস্তান্তর করা যাবে না। আইন হয়েছে।
২০ লক্ষ ৮১ হাজার কাস্ট সার্টিফিকেট। যদি কেউ আদিবাসীদের নাম নিয়ে সার্টিফিকেট করেন, যদি দেখা যায় সেটা জাল, তাহলে মানব না। কয়েকজন BLRO দুষ্টুমি করে গিয়েছেন, সেগুলো আমাদের দেখতে হবে।
ফরেস্ট রাইটস অ্যাক্টের অধীরে ৪৮ হাজার ৬৭৩ জন ফরেস্ট পাট্টা দেওয়া হয়েছে। বিডিওদের অনুরোধ করব, এলাকায় এলাকায় যান, উন্নয়নমূলক কাজ করুন। পরে কমিটি করে দেব।
আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের জন্য ২৪১টি আশ্রম হস্টেল, ৩০ টি সেন্ট্রাল হস্টেল তৈরি করেছি। আগে হস্টেলের খাবার খরচ ১ হাজার টাকা দেওয়া হত, এখন ১৮০০ টাকা করা হল।
SC ST দের জন্য স্মার্ট কার্ড রয়েছে। সব লোন পান। শিক্ষাশ্রী প্রকল্পে স্কলারশিপ।
জেলায় জেলায় ৫০ টি কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে JEE পরীক্ষায় কোচিং দেওয়া হচ্ছে।
আর্থিক ভাবে দুর্বল আদিবাসীদের সাহায্য করা হয়েছে। জঙ্গলমহল উৎসব-সহ সব উৎসবে আর্থিক সাহায্য় করা হয়েছে, পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
১ হাজার টাকার গ্যাসে জ্বলে বিনা পয়সার চাল। আর ওরা যদি ক্ষমতায় আসে, গ্যাসের দাম ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা করে দিতে পারে। আবার ঘুটে দিতে হবে, গুল দিতে হবে।
আমাদের বাংলাকে ওরা ভালবাসে না। ওরা বঞ্চনা করে। আধার কার্ড কেন কেড়ে নেওয়া হচ্ছিল। হঠাৎ করে দেখছি আধার কার্ড কেড়ে নেওয়া হল। আমরা ফোঁস করলাম। আমরা পাল্টা করে দেব বলেছিলাম।
নির্বাচন আসবে ক্যাঁ ক্যাঁ করবে। ৫ বছর তাকে ফরেনার হয়ে যাবে। তাহলে রেশন পাবে কোথা থেকে?
আড়াই লক্ষ মানুষের কাছে আজকেও কোনও না কোনও পরিষেবা পৌঁছে গেল। আজকে আমি একটা ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলাম, তোমার ব্যাঙ্কে টাকা ঢুকেছে? বলল হ্যাঁ, দিদি ৩০ হাজার টাকা ঢুকেছে। আমরা ৫৯ লক্ষ লোককে পৌঁছে দিয়েছি টাকাটা।
৪৭ লক্ষ ঘর আমি করে দিয়েছি। আমাদের টাকা রয়েছে ওখানে। কেন্দ্রকে টাইম দিয়েছি, এপ্রিল মাসের মধ্যে করতে হবে। না হলে মে মাসে আমরা বুঝে নেব।
২০১১ সালের সাঁওতালি স্কুলে শিক্ষকের অভাব ছিল। আমরা ৯২ জন শিক্ষক নিয়োগ করছি। যাঁরা অলচিকি স্কুলে পড়ান, তাঁরা সম্মানটা পাবেন।
ঝাড়গ্রামে বিদ্যুৎ দফতরের রিজিওন্যাল অফিস।
১ এপ্রিল থেকে লক্ষ্মীর ভান্ডারে হাজার টাকা করে পাবেন। জনম জনম পাবেন। যত দিন বেঁচে থাকবেন, পাবেন।
প্রত্যেকটা জেলায় এক একটা করে বিগ বাজার। তাঁতসাথী পরিবারের কেউ মারা গেলে, ২ লক্ষ টাকা পাবে।
হাতির হানায় মৃত্যু হলে ৫ লক্ষ টাকা আরেকটা চাকরি পরিবারের সদস্য। ইতিমধ্যে ৭৫০ জনকে ফরেস্টে চাকরি দিলাম। ১২ হাজার টাকা করে মাইনি পাবে। হাতিকে আমি ভালোবাসি। হাতি আমাদের সাথী। কিন্তু মানুষ যদি ভুল করে হাতির গায়ে হাত দিয়ে ফেলে শোরগোল পড়ে যায়। হাতির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বনের ফেনসিং যাতে ভালো করে করতে হবে, এটা নিয়ে আলোচনা হবে। আমাদের এখানে ঝাড়খণ্ড, নেপাল থেকে হাতি চলে আসে।
খুনোখুনি আর নয়, অনেক রক্ত ঝরেছে। এবার উন্নয়ন করতে হবে। একসময় ঝাড়গ্রামে রক্ত ঝরত। আমি তখন পথে পথে ঘুরতাম । আর যেন রক্ত না ঝরে। রক্ত মানুষ বাঁচাতে কাজে লাগুক ।