Child Death: ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাসপাতালেই পড়েছিল একরত্তির দেহ, TV9 খবর করতেই মুড়ে ফেলা হল পলিথিনে!

Maldah: হাসপাতালের রোগীরা বা তাঁদের পরিজনেরা কেউ যদিও স্পষ্ট করে বলতে পারেননি কে বা কারা ওই শিশু সন্তানকে ফেলে রেখে গেল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যদিও অভিযোগ, স্থানীয়রাই কেউ মৃত সন্তান প্রসব করে হাসপাতালের ধারে ফেলে রেখে গিয়েছে

Child Death: ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাসপাতালেই পড়েছিল একরত্তির দেহ, TV9 খবর করতেই মুড়ে ফেলা হল পলিথিনে!
সদ্যোজাত শিশুর মৃ্ত্যু প্রতীকী চিত্র।

মালদা: হাসপাতালের প্রধান ভবনের বাইরে একধারে পড়েছিল দলাপাকানো এক মাংসপিণ্ড। নিথর। দূর থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই। কাছে যেতেই চমকে উঠতে হয়। ওই দলাপাকানো পিণ্ডটি আসলে এক সদ্যোজাতর (New Born)। চোখটাও ফোটেনি তার। মৃত। অকুস্থল সেই চাঁচোলের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা একরত্তির নিথর দেহটা পড়ে থাকল হাসপাতাল চত্বরেই। TV9-এর ক্যামেরা পৌঁছতেই তড়িঘড়ি মুড়ে ফেলা হল সদ্যোজাতর দেহ!

ঠিক কী হয়েছিল? বুধবার সকালে দেখা যায়, হাসপাতালের প্রধান ভবনের বাইরে পড়ে রয়েছে এক সদ্যোজাতর নিথর দেহ। অথচ, সেই মৃতদেহ নিয়ে হেলদোল নেই কারোর। শিশুটি কার, কে প্রসব করেছিলেন, তার পরিবারই বা কোথায় সে বিষয়ে কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এমনকী, হাসপাতাল সুপারের দফতরের পাশেই কে বা কারা এই মৃত শিশুর দেহ ফেলে রেখে গেল তা নিয়েও ওঠে প্রশ্ন।

হাসপাতালের রোগীরা বা তাঁদের পরিজনেরা কেউ যদিও স্পষ্ট করে বলতে পারেননি কে বা কারা ওই শিশু সন্তানকে ফেলে রেখে গেল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যদিও অভিযোগ, স্থানীয়রাই কেউ মৃত সন্তান প্রসব করে হাসপাতালের ধারে ফেলে রেখে গিয়েছে। কিন্তু এভাবে কী করে কোনও সদ্যোজাতর মৃতদেহ ফেলে রাখা যায় তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

এদিকে শিশুর মৃতদেহটি TV9-এর প্রতিনিধি আবিষ্কার করতেই তড়িঘড়ি ওই সদ্যোজাতর দেহটি পলিথিন দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়। সরিয়ে ফেলা হয় সদ্যোজাতর দেহ। পুরো ঘটনাটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালের সুপার জয়ন্ত বিশ্বাস। ঘটনাস্থলে  এসে পৌঁছয় চাঁচল থানার পুলিশ। হাসপাতাল সুপার জয়ন্ত বিশ্বাস জানিয়েছেন, গোটা ঘটনা তদন্ত করে দেখা হবে। কে বা কারা এমন কাজ করেছে তা খতিয়ে দেখা হবে। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হবে।

কিছুদিন আগেই শ্বাসকষ্টে ও জ্বরে আচমকা মৃত্যু হয় এক সদ্যোজাতর। সেই চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। মালদহের চাঁচলে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ একাধিক প্রশ্ন তুলে দেয় সার্বিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর দিকে। শিশুটির পরিবারের দাবি, হাসপাতালের গাফিলতিতেই বাঁচানো যায়নি সদ্যোজাতকে। শিশুটির সমস্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয় তাকে। কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ভাউচার পেতেই প্রায় দেড় দু’ঘণ্টা কেটে যায়। হাসপাতালের অনুসন্ধান কেন্দ্রে কোনও লোক ছিল না। কোলেই প্রাণ যায় শিশুটির।

আরও পড়ুন: TMC Worker’s death: ‘ফোনটা আসতেই শুনলাম,মেরে ফেলেছে’, বচসার জেরে তৃণমূল কর্মীকে কোপের উপর কোপ!

Related News

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla