AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Madhyamik Exam: ঘরে বাবার নিথর দেহ, কাঁদছে মা! এক বুক কষ্ট নিয়ে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দিল ছেলে

Madhyamik Student: সিট পড়েছিল খোরজুন উচ্চ বিদ্যালয়ে। কিন্তু জিতের পিতৃবিয়োগের কথা ততক্ষণে শিক্ষকদের কানেও গিয়েছে। তাঁরাও জিতকে সান্তনা দেন। কিন্তু পরীক্ষা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে। পাশে দাঁড়ায় বন্ধুরা। বাড়িতে তখন শোকের ছায়া।

Madhyamik Exam: ঘরে বাবার নিথর দেহ, কাঁদছে মা! এক বুক কষ্ট নিয়ে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দিল ছেলে
শোকের ছায়া পরিবারে Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 10, 2026 | 7:19 PM
Share

মুর্শিদাবাদ: বাবার শরীরটা খারাপই ছিল। জাঁকিয়ে বসেছিল বার্ধক্যজনিত সমস্যা। কিন্তু বলে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষার মাঝে যে এত বড় ঘটনা ঘটে যাবে তা ভাবতে পারেনি ছেলে। চলে গেল বাবা, তাও মাধ্যমিকের মধ্যে। বুকে একরাশ দম চাপা কষ্ট নিয়ে শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে গেল ছেলে। এমনই হৃদয়বিদারক ছবি দেখা গিয়েছে মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার ফুলসেখর গ্রামে। এখানেই বাড়ি সন্তোষ বাগদির (৬২)। তাঁর ছেলে জিৎ বাগদি এবার বসেছিল মাধ্যমিক পরীক্ষায়। 

সোমবার ছিল ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষা দিন সকালেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয় তাঁর বাবার। এলাকায় তখন শোকের ছায়া। পরিবারে কান্নার রোল। কিন্তু ঘড়ির কাঁটা বলছে আর কিছু সময়ের অপেক্ষা। তারপরই পরীক্ষা। শেষ পর্যন্ত চোখে জল নিয়ে, বাড়ির সকলের অনুরোধে শোকাতুর মনে পরীক্ষা কেন্দ্রে যায় জিৎ। পাশে দাঁড়ায় বন্ধুরাও। তাঁরাই নিয়ে যায় জিতকে।  

সিট পড়েছিল খোরজুন উচ্চ বিদ্যালয়ে। কিন্তু জিতের পিতৃবিয়োগের কথা ততক্ষণে শিক্ষকদের কানেও গিয়েছে। তাঁরাও জিতকে সান্তনা দেন। কিন্তু পরীক্ষা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে। জিৎ বলছে, “পরীক্ষা দিতে আসার আগেই এটা ঘটে যাবে ভাবতে পারেনি। বেশ কিছুদিন ধরেই বাবা অসুস্থ ছিল। আজ সকালে রামপুরহাটে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় চলছিল। তখনই আচমকা মৃত্যু। আমি ভেবেছিলাম আর পরীক্ষা দিতে আসব না। বন্ধুরা সকলে বলে চল, নাহলে বছরটা নষ্ট হয়ে যাবে। অনেক কষ্ট করে পরীক্ষা দিয়েছি। মোটামুটি ভালই হয়েছে। স্যরাও অনেক মনোবল জুগিয়েছে।”