Murshidabad: মড়া পোড়াতে গিয়ে যে দৃশ্যের সাক্ষী থাকলেন ওঁরা… ভয়ে কাঁটা এলাকা
Murshidabad Lynching: বহরমপুরের গোরা বাজার শ্মশান ঘাটে পরিবারের এক সদস্যের দেহ সৎকার্য করতে গিয়েছিলেন জয়ন্ত ঘোষ। তাঁর বাড়ি ডোমকল থানার অন্তর্গত জিতপুর এলাকায়। জয়ন্তের সঙ্গেও মৃতদেহ সৎকার করার জন্য ডোমকল থেকে কয়েকজন এসেছিলেন।

মুর্শিদাবাদ: দুই পরিবারই স্বজনহারা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা গিয়েছেন দেহ সৎকার্য করতে। একই পাড়ার বাসিন্দা। তাই একই শ্মশানঘাট। কিন্তু শ্মশানঘাটে পৌঁছানোর সময়ে কিছুটা হেরফের। কার দেহ আগে পুড়ানো হবে, তাই নিয়ে বাঁধে গোল। আর তাতেই দুই পরিবারের বচসা। সেখানেই শেষ নয়, বচসা গড়ায় হাতাহাতি-লাঠালাঠিতে। তাতেই মৃত্যু একজনের। মড়া পোড়াতে গিয়ে মারপিট করে মারা গেলেন আরও একজন। আহত হয়েছেন আরও তিন জন। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের গোরা বাজার এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম জয়ন্ত ঘোষ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বহরমপুরের গোরা বাজার শ্মশান ঘাটে পরিবারের এক সদস্যের দেহ সৎকার্য করতে গিয়েছিলেন জয়ন্ত ঘোষ। তাঁর বাড়ি ডোমকল থানার অন্তর্গত জিতপুর এলাকায়। জয়ন্তের সঙ্গেও মৃতদেহ সৎকার করার জন্য ডোমকল থেকে কয়েকজন এসেছিলেন। অন্যদিকে বহরমপুর থানার অন্তর্গত কলাবেরিয়া এলাকা থেকেও মৃতদেহ সৎকারের জন্য যায় অন্য একটি পরিবার। এই দুটি মৃতদেহের পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
সেখানে মৃত্যু হয় জয়ন্ত ঘোষের। এই ঘটনায় বহরমপুর থানার পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম রবি মণ্ডল, ঝাবু মণ্ডল ও কৃষ্ণ মণ্ডল। অভিযুক্তদের সকলের বাড়ি বরমপুর থানা অন্তর্গত কলাবেরিয়া এলাকায়। আজকে ধৃতদের বহরমপুরে জেলা জজ আদালতে তোলা হয়। মৃতের পরিবারের এক সদস্য বলেন, “আসলে লাশ নিয়ে কোনও ঝামেলা নয়, ওরা মদ খেয়ে ছিল। পিছন থেকে এসে বাঁশ দিয়ে মাথায় মারে।” স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা আসলে রাতে খুবই চিৎকার চেঁচামেচি শুনছিলাম। বেরিয়ে এসে দেখি এই কাণ্ড। মারামারি এত বেড়ে গেল, ভয়ে আমরা ঘরে ঢুকে যাই। পরে শুনছি এক মারা গিয়েছে।”
