Murshidabad: ‘কোনও শুনানি হবে না’, বলেই বিডিও অফিস ভাঙচুর করলেন TMC বিধায়ক
Farakka: এই ঘটনার পর মণিরুল বলেন, "হিন্দু ভাইরা আমায় বলছে,রামের নাম শুনলে বলছে আপনার কিছু লাগবে না, আর রহিমের নাম শুনলে তখন চোদ্দ গুষ্ঠির খতিয়ান চাই। এই দ্বিচারিতা চলবে না। আমরা সকলে এই দেশকে স্বাধীন করেছি। যদি ফরাক্কার মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে গুলি খেতে হয় এই মণিরুল ইসলাম গুলি খাবেন প্রথমে।"

ফরাক্কা: তুমুল অশান্ত মুর্শিদাবাদ। ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামের নেতৃত্বে সরকারি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। ‘SIR মানছি না মানব না’ এই স্লোগান তুলে বিডিও অফিসের সামনে প্রথমে অবস্থান-বিক্ষোভ তৃণমূল বিধায়কের। পরবর্তীতে অফিসের ভিতরে ঢুকে বিধায়কের নেতৃত্বে ভাঙচুরের অভিযোগ। সরকারি অফিস ভাঙচুরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খোদ শাসকদলেরই বিধায়ক, যা ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
বুধবার দেখা যায় প্রথমে কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে নিয়ে বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন মণিরুল। এর খানিক বাদে তিনি ও তাঁর দলবল পৌঁছে যান বিডিও অফিসের ভিতরে। তারপর সরকারি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে। এরপর সাধারণ মানুষজনদের বেরিয়ে যেতে বলেন অভিযুক্তরা। তারপরই দেখা যায়, লাথি মেরে টেবিল চেয়ার সব উল্টে দেন তাঁরা। চিৎকার করে বলতে থাকেন, “কোনও শুনানি হবে না।”
এই ঘটনার পর মণিরুল বলেন, “হিন্দু ভাইরা আমায় বলছে, রামের নাম শুনলে বলছে আপনার কিছু লাগবে না, আর রহিমের নাম শুনলে তখন চোদ্দ গুষ্ঠির খতিয়ান চাই। এই দ্বিচারিতা চলবে না। আমরা সকলে এই দেশকে স্বাধীন করেছি। যদি ফরাক্কার মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে গুলি খেতে হয় এই মণিরুল ইসলাম গুলি খাবেন প্রথমে।” তৃণমূলের মণিরুল হোক বা আমিরুল এরা সকলেই ধ্বংসের রাজনীতি করতে এসেছেন। ভারত আলাদা করতে চাইছে। এর নেতৃত্বে বিডিও অফিস ভাঙচুর হবে সেটা তো স্বাভাবিক। আর পুলিশ দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে কী করছিল যখন বিডিও অফিস ভাঙচুর হয়?”
