Nadia Crime: জেলে বসে কংগ্রেস নেতা ও ছেলেকে খুনের ছক TMC নেতার? নদিয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য
Congress Leader Death: তদন্ত নেমে আজ সকালে প্রথমে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান-সহ ৫ জনকে আটক করা হয়। পরে তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতরা হলেন হরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ফতেমা বিবি, সাহেব আলি মণ্ডল ও মিঠুন শেখ। কিন্তু ঠিক কী কারণে খুন, তদন্তে কোন কোন সূত্র উঠে আসছে?

নদিয়া: নদিয়ার (Nadia) নাকাসিপাড়ায় কংগ্রেস নেতা (Congress Leader Killed) ও তাঁর ছেলেকে ‘খুন’-এর ঘটনায় গ্রেফতার তিন। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন হরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ফাতেমা বিবি। জানা গিয়েছে, পুলিশের স্ক্যানারে রয়েছেন প্রধানের স্বামী তৃণমূল নেতা জুব্বার শেখও (Jubbar Seikh)। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন। পরিবারের দাবি, এর আগে আনিসুর রহমানের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছিলেন জুব্বার। তার জেরেই কংগ্রেস নেতাকে খুন বলে অভিযোগ পরিবারের। তাহলে কি জেলে বসে খুনের ছক কষেছিলেন জুব্বার? জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
নদিয়ায় ‘খুন’ কংগ্রেস নেতা ও ছেলে
জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে একটি চার চাকা গাড়ি করে ফিরছিলেন কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমান ও ছেলে আবু সুফিয়ান। অভিযোগ, সেই সময় নাকাশিপাড়া থানার নাগাদি রেলগেটের কাছে আক্রমণ করে দুষ্কৃতীরা। প্রথমে গুলি ছোড়ে তারা। এখানেই ক্ষান্ত হয়নি। মৃত্যু নিশ্চিত করতে ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাঁদের কোপানো হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে কংগ্রেস। গোটা রাজ্যজুড়ে রবিবার কালা দিবসের ডাক দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন অধীররঞ্জন চৌধুরী।
ঘটনার পর থেকেই পরিবার আঙুল তুলেছে জুব্বার শেখের দিকে। কংগ্রেস নেতার শ্যালিকা বলেন, “আমার ছোট বোনের বর কংগ্রেস পার্টি করত। ঝামেলা হলে ভালভাবে তা মিটিয়ে দিত। প্রত্যেকটা মানুষের পাশে থাকত। সেটা নিয়ে জুব্বারের হিংসা হত। তাই লোক দিয়ে খুন করিয়ে দিল। আর বোনের ছেলেটা এলএলবি করছে। পাশ হয়ে গিয়েছে। সেই ছেলেকে কেন খুন করল?
কেন ‘খুন’ করা হল?
তদন্ত নেমে আজ সকালে প্রথমে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান-সহ ৫ জনকে আটক করা হয়। পরে তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতরা হলেন হরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ফতেমা বিবি, সাহেব আলি মণ্ডল ও মিঠুন শেখ। কিন্তু ঠিক কী কারণে খুন, তদন্তে কোন কোন সূত্র উঠে আসছে?
প্রশ্ন উঠছে পঞ্চায়েতে হাতবদল ঠেকাতেই কি খুন করা হয়েছে কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমানকে? কংগ্রেস নেতাদের দাবি, নাকাশিপাড়া অঞ্চলে আনিসুর রহমান অনেকটাই প্রভাব বিস্তার করে ফেলেছিল। তৃণমূলের ভাঙনকে সামনে রেখে তিনটি পঞ্চায়েত টার্গেট করেছিলেন তাঁরা। এই পঞ্চায়েতগুলি তৃণমূলের দখলে ছিল। কংগ্রেসের দাবি, ওই তিন পঞ্চায়েতের সদস্যদের অনেকেই কংগ্রেসে আসতে চাইছিল। সেখানেই প্রশ্ন উঠছে, পঞ্চায়েতের রাশ তৃণমূলের হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কাতেই কি খুন করা হয়েছে? তদন্ত চলছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
