AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Ranaghat: হোমে যুবতীর উপর ভয়ঙ্কর কাণ্ড, হাসপাতালে মৃত্যু! পুলিশ তুলে নিয়ে গেল মালিককে

Ranaghat Case: মৃত প্রতিবন্ধী মহিলার পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন থেকেই মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালানো হয়েছে। এক অবস্থা বেগতিক দেখে বাড়িতে দিয়ে আসা হয়। ইতিমধ্যেই রানাঘাট থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে পরিবারের তরফে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ওই বেসরকারি হোমের লোকজনকে।

Ranaghat: হোমে যুবতীর উপর ভয়ঙ্কর কাণ্ড, হাসপাতালে মৃত্যু! পুলিশ তুলে নিয়ে গেল মালিককে
কী বলছেন পরিবারের লোকজন? Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 01, 2026 | 6:06 PM
Share

রানাঘাট: বিশেষভাবে সক্ষম এক যুবতীর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগ রানাঘাটের এক বেসরকারি হোমের বিরুদ্ধে। রানাঘাট হাসপাতালেও ভর্তি ছিল ওই মহিলা। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু। ক্ষোভে ফেটে পড়লেন পরিবারের সদস্যরা। যদিও হোমের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করছে কর্তৃপক্ষের লোকজন। তাঁদের দাবি, কোনওরকম অত্যাচারই করা হয়নি। 

সূত্রের খবর, মহিলার বাড়ি চাকদহ থানার মদনপুর এলাকায়। চিকিৎসকার জন্য রানাঘাটের ওই বেসরকারি হোমে রেখেছিল তাঁর পরিবার। পরিবারের সদস্যরাই জানাচ্ছেন, দিন দু’য়েক আগে ওই মহিলাকে বাড়িতে রেখে যায় হোমের লোকজন। জানায় তিনি অসুস্থা তাই রেখে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা দেখেন তাঁর শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আহত অবস্থাতেই তাঁকে রানাঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার তাঁর মৃত্যু হয়। 

মৃত প্রতিবন্ধী মহিলার পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন থেকেই মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার  চালানো হয়েছে। এক অবস্থা বেগতিক দেখে বাড়িতে দিয়ে আসা হয়। ইতিমধ্যেই রানাঘাট থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে পরিবারের তরফে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ওই বেসরকারি হোমের লোকজনকে। ইতিমধ্যেই হোমের মালিক কৌশক কর নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে আপাতভাবে হোমের তরফে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে বলেই জানতে পারা যাচ্ছে। অন্যদিকে পুলিশ মৃতার দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। রিপোর্ট এলেই আঘাতের ধরন, মৃত্যুর কারণ নিয়েও অনেকটা নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে করছেন তদন্তকারীরা।