Bargabhima temple: বাংলার এই সতীপীঠে আপাতত আর মিলবে না প্রসাদ, জানিয়ে দিলেন মন্দির কর্তৃপক্ষ
Tamluk: তমলুক বর্গভীমা মন্দির সতীর ৫১ পীঠের মধ্যে একটি পিঠ। প্রতিনিয়ত ভোগ হয় মায়ের। সেই কারণে পুণ্যার্থীদের জন্য ভোগের ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতিতে গ্যাসের সঙ্কট, তাই মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ২১ শে মার্চের পর থেকে সাধারণ ভক্তদের জন্য আর মিলবে না মায়ের ভোগ।

তমলুক: ক্য়াটারিংয়ের ব্যবসা, হোটেলের খাবার থেকে শুরু করে জায়গায়-জায়গায় গ্যাসের সঙ্কট চলছে। মিলছে না রান্নার গ্যাস। এমনকী, গ্যাসের বুকিং হতেও সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন সাধারণ মানুষ। তবে শুধু খাবার নয়, এবার যুদ্ধের প্রভাব পড়ল মন্দিরেও। তমলুক বর্গভীমা মন্দিরে আর মিলবে না প্রসাদ। বস্তুত, ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের প্রভাব সরাসরি পড়েছে ভারতে। বাণিজ্যিক গ্যাসের সঙ্কটের জেরে দেশজুড়ে হাজার হাজার হোটেল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রেশ পৌঁছেছে জেলাগুলোতেও।
তমলুক বর্গভীমা মন্দির সতীর ৫১ পীঠের মধ্যে একটি পিঠ। প্রতিনিয়ত ভোগ হয় মায়ের। সেই কারণে পুণ্যার্থীদের জন্য ভোগের ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতিতে গ্যাসের সঙ্কট, তাই মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ২১ শে মার্চের পর থেকে সাধারণ ভক্তদের জন্য আর মিলবে না মায়ের ভোগ। এবং যাঁরা বুকিং করেছেন তাঁদেরও ফোন করে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে মায়ের ভোগ গ্যাস সঙ্কটের জন্য অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়েছে। যদি গ্যাস পাওয়া যায় তারপর পুনরায় আবার ভক্তদের জন্য প্রসাদ ব্যবস্থা করবে মন্দির কর্তৃপক্ষ।
মিঠু কান্ডার পুণ্যার্থী বলেন, “আমরা অনেক আশা নিয়ে অনেক দূর দুরান্ত থেকে মায়ের ভোগ পাওয়ার আশায় আসি। যদি না ভোগ পাই নিরাশ হয়ে বাড়ি যাব। তাই দ্রুত রান্নার গ্যাস সমাধান করে আমাদের ভোগের ব্যবস্থা করুক।” বস্তুত, বাগবাজারের মায়ের বাড়িতেও প্রসাদ বিতরণ বন্ধ রয়েছে ৩ মার্চ থেকে।
