AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Meat Shop: ‘লেবার পাওয়া যাচ্ছে না’, বীজপুরে মাংসের দোকানের বাইরে পোস্টার সাঁটিয়ে দিচ্ছেন বিধায়কের অনুগামীরা! তাতে স্পষ্ট নির্দেশ…

খাসির মাংসের দোকান খুললেই নগদ ১০ হাজার টাকা আর্থিক পুরস্কার। কিন্তু মানতে হবে একটাই শর্ত। ঝটকা মাংসের দোকান খুলতে হবে। অর্থাৎ এক কোপেই কাটতে হবে। সাধারণত খাসির মাংসের দোকানে আড়াই প্যাঁচে মাংস কাটা হয়।

Meat Shop: 'লেবার পাওয়া যাচ্ছে না', বীজপুরে মাংসের দোকানের বাইরে পোস্টার সাঁটিয়ে দিচ্ছেন বিধায়কের অনুগামীরা! তাতে স্পষ্ট নির্দেশ...
মাংসের দোকানের বাইরে সাঁটানো হচ্ছে পোস্টারImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jul 16, 2026 | 1:03 PM
Share

উত্তর ২৪ পরগনা:  সাতসকালেই বাজারে হাজির বিধায়কের অনুগামীরা। দোকানপাট তখনও খোলেনি। দোকানের বাইরে তাঁরা পোস্টার সাঁটিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষত মাংসের দোকানে। সেই পোস্টারে গোটা গোটা অক্ষরে লেখা, ১০০০০ টাকার নগদ পুরস্কারের কথা! খুশি ব্যবসায়ীরা, খুশি ক্রেতাও।

খাসির মাংসের দোকান খুললেই নগদ ১০ হাজার টাকা আর্থিক পুরস্কার। কিন্তু মানতে হবে একটাই শর্ত। ঝটকা মাংসের দোকান খুলতে হবে। অর্থাৎ এক কোপেই কাটতে হবে। সাধারণত খাসির মাংসের দোকানে আড়াই প্যাঁচে মাংস কাটা হয়। এবার বীজপুরের নতুন বিধায়ক সুদীপ্ত দাস ঘোষণা করেছেন, ঝটকা মাংসের দোকান খুললেই প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে দশ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে। তাতে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি খুশি খাদ্য রসিক বাঙালিরাও।

মুলত অনেক বিক্রেতাই আড়াই প্যাঁচে খাসির মাংস কাটেন, যাকে হালাল মাংস বলে।আর যে খাসি এক প্যাঁচে বা এক কোপে কাটা হয় তাকে ঝটকা মাংস বলে। বীজপুর বিধানসভা জুড়ে যতোগুলো ঝটকা মাংসের দোকান হবে, সব দোকানদারদেরই এই নগদ আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হবে। কী বলছেন বীজপুরের ব্যবসায়ীরা? এক ব্যবসায়ী দীপ্যেন্দ্র প্রসাদ বললেন, “এখানে তো খুব কমই ঝটকা মাংসের দোকান রয়েছে। দুটো মাত্র। আমি আরেক জন ব্যবসায়ী রয়েছে। তবে বিধায়কদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। কিন্তু বিষয়টা হল, এখানে এখন লেবার পাওয়া যাচ্ছে না।”

খাদ্যরসিকদের অনেকের মতে, এক কোপে কাটলে নাকি মাংসেরও স্বাদ বাড়ে। দোকানে আসা এক ক্রেতা চম্পা দাসের কথায়, “অনেকেই তো চান, যাতে এক কোপে কাটা হয়। অনেকের মনের ধারণা তাতে নাকি মাংসেরও স্বাদ বাড়ে।” আরেক ক্রেতার কথায়, “বাঙালিরা তৃপ্তি করে মাংস খাবেন।”

বিধায়ক বললেন, “তহবিলের টাকা তো মানুষের জন্য রয়েছে। পুরস্কারের জন্য যে টাকা দেওয়া হবে, সেটা তহবিলের নয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার রোজগার থেকে এই পুরস্কার দেব ব্যবসায়ীদের। বিধায়ক তহবিলের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।”

Follow Us